জনতার প্রেস
সর্বশেষ
‘এলাকার মানুষের চেয়ে দলের মানুষকে প্রাধান্য দেব’: চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্য ভাইরাল

‘এলাকার মানুষের চেয়ে দলের মানুষকে প্রাধান্য দেব’: চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্য ভাইরাল

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:‘আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি না। দল আমাদেরকে নিয়ে এই চেয়ারে বসিয়েছে। এই এলাকার মানুষ আমাদেরকে চায় না। সেই জন্য আমরা এলাকার মানুষের চেয়ে দলের মানুষকে প্রাধান্য বেশি দেব, যেহেতু দল আমাকে বসিয়েছে’—চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামানের এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৫১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে শরীফুজ্জামানকে জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলতে শোনা যায়।ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার দলের নেতা-কর্মীর বাইরে কোনো অনুদান জেলা পরিষদ থেকে যাবে না। এই ইউনিয়নে যেকোনো জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারি অথবা ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারির রিকমেন্ড (সুপারিশ) ছাড়া একটি অনুদানও মিলবে না।’ভিডিওটির বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদের সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ ও অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে ভাইরাল ভিডিওটির বক্তব্যের বিষয়ে শরীফুজ্জামানের আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়নে আয়োজিত একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।নির্বাচনে বিএনপির দুই প্রার্থীই পরাজিতএদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চুয়াডাঙ্গার রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা কমিটির সহকারী সেক্রেটারি মাসুদ পারভেজ রাসেলের কাছে পরাজিত হন মো. শরীফুজ্জামান।অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির জেলা সভাপতি মাহমুদ হাসান খানকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির রুহুল আমীন।নির্বাচনের পর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামানের এমন বক্তব্যের ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে ভিডিওটির বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট, বক্তব্যটি ঠিক কোন পরিস্থিতিতে দেওয়া হয়েছিল এবং এ বিষয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসকের অবস্থান কী—তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

একনেকের সভা শুরু, ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

একনেকের সভা শুরু, ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

জনতার প্রেস ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।সভায় নতুন ও চলমান মিলিয়ে মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে।এটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পঞ্চম একনেক সভা এবং বর্তমান সরকারের দশম একনেক সভা।বৈঠকে নতুন প্রকল্প অনুমোদনের পাশাপাশি কয়েকটি চলমান প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানো এবং বাস্তবায়নের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা, অর্থায়ন, বাস্তবায়নকাল ও সম্ভাব্য ব্যয়সহ বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে একনেক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

একনেকের সভা শুরু, ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রকৃত বক্তব্য ছিল ‘বিচার জনগণই করবে’; ভাইরাল ফটোকার্ডে ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ছবি ও বক্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে / ‘বিএনপিকে চাঁদাবাজ বললে আইনি ব্যবস্থা’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ছড়ানো ফটোকার্ডটি ভুয়া

এমআরও কেন্দ্র স্থাপন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও এইচআরসিএম বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে জার্মানির সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ / বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব করতে লুফথানসার সহযোগিতা চায় সরকার

অক্টোবরে চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২২ অক্টোবরের ছুটি পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন; ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা / দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে সরকারি অফিস

আন্তর্জাতিক

রাজনীতি

সরকারি চাকরিজীবীদের পে ফিক্সেশন শুরু কাল, যেসব তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে

আইবাস++-এ অনলাইনে তথ্য দিতে হবে; পদোন্নতি, বদলি ও আগের বেতন নির্ধারণের নথিও রাখতে হবে প্রস্তুত / সরকারি চাকরিজীবীদের পে ফিক্সেশন শুরু কাল, যেসব তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) কার্যক্রম সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এ জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইবাস++ (iBAS++)-এর পে ফিক্সেশন মডিউলে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করার কথা রয়েছে।পে ফিক্সেশনের জন্য শুধু ব্যক্তিগত ও বর্তমান বেতনের তথ্য দিলেই হবে না; চাকরিতে যোগদানের তারিখ, আগের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড এবং উচ্চতর গ্রেডসংক্রান্ত তথ্যও সঠিকভাবে দিতে হবে। এসব তথ্যের কোনোটি ভুল বা অসম্পূর্ণ হলে নতুন মূল বেতন নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি বকেয়া বা এরিয়ার হিসাবেও এর প্রভাব পড়তে পারে।পে ফিক্সেশনের আগে যেসব তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবেআইবাস++-এ পে ফিক্সেশন করার আগে সরকারি চাকরিজীবীদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর ও জন্মতারিখ;বর্তমান পদবি ও বেতন গ্রেড;সরকারি চাকরিতে যোগদানের তারিখ;৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত মূল বেতনের তথ্য;আগের বেতন নির্ধারণের বিবরণ;পদোন্নতি ও বদলিসংক্রান্ত তথ্য;সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তথ্য;সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় চাকরির নথি;আইবাস++-এ নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর।এসব তথ্য আগে থেকে গুছিয়ে রাখলে অনলাইনে তথ্য পূরণের সময় ভুলের আশঙ্কা কমবে এবং প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করাও সহজ হবে।ভুল তথ্য দিলে তৈরি হতে পারে জটিলতাপে ফিক্সেশনের সময় নাম, এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও মূল বেতনের তথ্যে ভুল থাকলে তা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। একইভাবে পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেডের তথ্য বাদ পড়লে নতুন বেতন নির্ধারণের হিসাবেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।বিশেষ করে চাকরিজীবনের বিভিন্ন সময়ে বেতন পরিবর্তনের তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্যের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও সংশ্লিষ্ট নথি প্রস্তুত না থাকলে যাচাইয়ের সময় জটিলতা তৈরি হতে পারে।তাই অনলাইনে তথ্য দেওয়ার আগে চাকরির নথির সঙ্গে সব তথ্য মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। কোনো বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।তথ্য জমা দিলেই শেষ নয়, হবে যাচাইআইবাস++-এ তথ্য পূরণ করে আবেদন জমা দিলেই পে ফিক্সেশন সম্পন্ন হবে না। সংশ্লিষ্ট বেতন ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয় চাকরির নথির সঙ্গে অনলাইনে দেওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখবে।তথ্য ও নথিতে অসংগতি পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। আর যাচাই শেষে তথ্য সঠিক বলে বিবেচিত হলে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।অনুমোদনের পর আইবাস++ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বিশেষ যাচাই নম্বর তৈরি হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর চাকরির নথিতে ওই যাচাই নম্বর ও নতুন নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করা হবে।অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে মিলতে পারে বকেয়াপে ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে অক্টোবর মাসের বেতন বিল তৈরির কথা রয়েছে। একই সঙ্গে নতুন ও পুরোনো বেতনের পার্থক্য হিসাব করে প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার নির্ধারণ করা হতে পারে।তবে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বকেয়ার পরিমাণ সমান হবে না। সংশ্লিষ্ট কর্মীর বেতন গ্রেড, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত মূল বেতন, নতুন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকরের তারিখসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর এর পরিমাণ নির্ভর করবে।এ কারণে পে ফিক্সেশনের সময় শুধু বর্তমান বেতনের তথ্য নয়, চাকরিতে যোগদানের পর থেকে বেতন নির্ধারণ ও পরিবর্তনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় তথ্যও সঠিকভাবে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম শেষ করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি আগে থেকেই প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি অনলাইনে জমা দেওয়া তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করতে হবে।

ডাকসুর এক বছরের কার্যবিবরণী প্রকাশ, ছারপোকা দমনে খরচ ৩২ লাখ টাকা

ডাকসুর এক বছরের কার্যবিবরণী প্রকাশ, ছারপোকা দমনে খরচ ৩২ লাখ টাকা

এক বছরের দায়িত্বকালীন বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। এতে শিক্ষার্থীদের আবাসন, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষতা উন্নয়ন, নারী শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা, গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উদ্যোগের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে ডাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম কার্যক্রম ও জবাবদিহি প্রতিবেদন তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে সম্পূর্ণ কার্যক্রমের অডিট প্রকাশ না করা হলেও প্রকাশিত পেজেন্টেশনে কয়েকটি কাজে খরচকৃত অর্থের পরিমাণ দেখা যায়। প্রেজেন্টেশনে দেখানো বছরব্যাপী কার্যক্রমের মধ্যে ছারপোকা দমনে ব্যয় হয়েছে ৩২ লাখ টাকা। শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়নে খরচ হয়েছে ৩ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় মসজিদ সংস্কারে খরচ ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক জিমনেসিয়াম বানাতে খরচ হয়েছে ৬৫ লাখ টাকা এবং এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ হল সংস্কারে ৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা আদায়ের কথাও জানানো হয়েছে প্রেজেন্টেশনে।  jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6aac01a58fd14" ) ); এছাড়া একাধিক কাজের কথা উল্লেখ করলেও বিস্তারিত খরচের পরিমাণ এখনও প্রকাশ করেনি ডাকসু। ভিপি সাদিক কায়েম জানিয়েছেন, অডিটের কাজ চলছে, খরচের বিস্তারিত কিছুদিনের মধ্যেই জানানো হবে। সমাজসেবা সম্পাদকের ৩৫ কোটি টাকার কাজের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডাকসু যে কাজ করেছে তা ৩৫ কোটি টাকার চাইতেও অনেক বেশি। তবে প্রশাসনের বাধার কারণে আমরা অনেক কাজই করতে পারিনি।  সংবাদ সম্মেলনে সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসুর জন্য নির্ধারিত বাজেট এখন পর্যন্ত প্রশাসন দেয়নি। পুরো সময় জুড়ে প্রশাসন বিমাতার মতো আচরণ করেছে। তবে শত অসহযোগিতা সত্ত্বেও এক বছরে আবাসন, পরিবহন, হলে খাবারের মান ও স্বাস্থ্য গবেষণার মতো ডাকসু কমিটি হাজারের বেশি কাজ করেছে। শিক্ষক মূল্যায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট একাডেমিক প্রক্রিয়ায় উত্থাপিত হলেও প্রশাসনিক বিলম্বের কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরে ডাকসু নিজ উদ্যোগে ‘DU Teachers’ Evaluation’ নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করে। কার্যবিবরণী অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালনা প্রশিক্ষণ, হলভিত্তিক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ এবং বিনামূল্যে স্পোকেন ইংলিশ কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে। গবেষণা বিষয়ে কর্মশালা, গবেষণা প্রস্তাবনা তৈরির প্রশিক্ষণ, বৃত্তি ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সেশন এবং শিক্ষা এক্সপোসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও আয়োজন করা হয়। পরিবহন খাতে শনিবার বাস সার্ভিস চালু, বিভিন্ন রুটে সন্ধ্যার ট্রিপ, নারী হলগুলোর জন্য বাস এবং সাপ্তাহিক ঢাকা-কুমিল্লা বাস সার্ভিস চালুর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও রুট বৃদ্ধির বিভিন্ন উদ্যোগের তথ্যও দেওয়া হয়েছে। কার্যক্রমের বিরবরণ দিয়ে দিয়ে ‘খতিয়ান’ নামে একটি বই প্রকাশ করেছে ডাকসু। বইয়ের একটি বড় অংশে বাস্তবায়ন না হওয়া বা আটকে থাকা বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ডাকসুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিটি বিভাগের সহযোগিতায় কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ, সার্টিফিকেশন সহায়তা, ইনোভেশন হাব ও চাকরি মেলার মতো ছয়টি উদ্যোগ আটকে রয়েছে। এ ছাড়া মাঠ সংস্কার ও ডিজিটাল সেবা, হলের ভর্তুকি মূল্যে খাবার, ডাকসু ক্যান্টিন সংস্কার, পুকুরপাড় সৌন্দর্যায়ন, ওয়াকওয়ে ও আলোকসজ্জাসহ স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রকল্পও বাস্তবায়িত হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কাজী মোতাহার হোসেন ভবনের ক্যান্টিন, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিন, মোবাইল টয়লেট, নতুন যানবাহন সংগ্রহ এবং বিভিন্ন হলের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ আরও কয়েকটি উদ্যোগ আটকে থাকার কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুদান বিতরণ, নারী শিক্ষার্থীদের জিমনেসিয়াম চালু এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কার নিয়েও বইয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

একনেকের সভা শুরু, ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

একনেকের সভা শুরু, ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

জনতার প্রেস ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।সভায় নতুন ও চলমান মিলিয়ে মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে।এটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পঞ্চম একনেক সভা এবং বর্তমান সরকারের দশম একনেক সভা।বৈঠকে নতুন প্রকল্প অনুমোদনের পাশাপাশি কয়েকটি চলমান প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানো এবং বাস্তবায়নের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা, অর্থায়ন, বাস্তবায়নকাল ও সম্ভাব্য ব্যয়সহ বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে একনেক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

একনেকের সভা শুরু, ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রকৃত বক্তব্য ছিল ‘বিচার জনগণই করবে’; ভাইরাল ফটোকার্ডে ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ছবি ও বক্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে / ‘বিএনপিকে চাঁদাবাজ বললে আইনি ব্যবস্থা’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ছড়ানো ফটোকার্ডটি ভুয়া

এমআরও কেন্দ্র স্থাপন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও এইচআরসিএম বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে জার্মানির সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ / বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব করতে লুফথানসার সহযোগিতা চায় সরকার

অক্টোবরে চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২২ অক্টোবরের ছুটি পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন; ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা / দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে সরকারি অফিস

জাতীয়

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে  ‘অআকখ’-এর সাহিত্য আড্ডার আয়োজন

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘অআকখ’-এর সাহিত্য আড্ডার আয়োজন

ভালো গল্প কি সত্যিই একটি ভালো পৃথিবী গড়ে তুলতে পারে? সাহিত্য কি শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ, নাকি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কও তৈরি করে? এমন নানা প্রশ্ন, ভাবনা আর স্বপ্নকে কেন্দ্র করেই রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘অআকখ’-এর আয়োজিত সাহিত্য আড্ডা। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাহিত্য হয়ে উঠেছিল পরিচয়ের সেতুবন্ধন, চিন্তার বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার এক মিলনমঞ্চ। আড্ডায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি, বিভিন্ন কলেজ এবং আলিয়া মাদ্রাসাসহ নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষাঙ্গন থেকে এলেও তাদের মিলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটিই—সাহিত্য। অনুষ্ঠানে অআকখ-এর নির্বাহী সাগর মল্লিক বলেন, পৃথিবী মূলত গল্পের মধ্য দিয়েই নির্মিত হয়। তাই ভালো গল্পের চর্চা মানে একটি ভালো সমাজ গড়ে তোলার চেষ্টা। তার ভাষায়, এ কাজ কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়; প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য সংগঠনগুলো একসঙ্গে কাজ করলে সাহিত্যচর্চায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যেতে পারে। আড্ডায় আলোচনায় উঠে আসে সাহিত্যের মানবিক শক্তির কথাও। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, রুমি কিংবা কাজী নজরুল ইসলাম—দুজনেই মানুষকে ভালোবাসা, মুক্তচিন্তা ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন। সাহিত্য শুধু অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের মনের জানালা খুলে দেয় এবং নতুনভাবে পৃথিবীকে দেখতে শেখায়। শুধু বক্তৃতা নয়, অনুষ্ঠানের বড় আকর্ষণ ছিল অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মুক্ত মতবিনিময়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মাহি জানান, তাদের সাহিত্য ক্লাব বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যৌথভাবে পাঠচক্র আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা, পাঠ ও চিন্তার বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, যা সাহিত্যচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করছে। মুক্ত আলোচনায় অনেকেই নিজেদের প্রিয় বই, পাঠের অভিজ্ঞতা এবং সাহিত্য নিয়ে ব্যক্তিগত উপলব্ধি তুলে ধরেন। আলিয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে সাহিত্যপাঠের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত। তবে এমন আয়োজন তাদের নতুন বই, নতুন লেখক এবং নতুন ভাবনার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। সমাপনী বক্তব্যে অআকখ-এর শেখ ফাতিমা পাপিয়া বলেন, সাহিত্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি স্থায়ী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। নিয়মিত পাঠচক্র, সাহিত্য আড্ডা ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এই বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আয়োজকদের মতে, সাহিত্য আড্ডার মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ পাঠকের কণ্ঠকে সামনে নিয়ে আসা। তারা কী পড়ছেন, কী ভাবছেন, সাহিত্য থেকে কী প্রত্যাশা করছেন এবং সমাজে সাহিত্যের ভূমিকা কী হতে পারে—এসব বিষয়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ডিজিটাল যুগে যখন মনোযোগের বড় একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আটকে যাচ্ছে, তখন এমন সাহিত্যভিত্তিক আয়োজন তরুণদের বইয়ের কাছে ফিরিয়ে আনতে পারে বলে মনে করেন অংশগ্রহণকারীরা। তাদের বিশ্বাস, নিয়মিত পাঠচক্র ও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্যচর্চা কেবল বই পড়ার অভ্যাসই বাড়াবে না, বরং ভিন্ন মত ও ভিন্ন অভিজ্ঞতার মানুষের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তুলবে। সাহিত্যের মাধ্যমে নাগরিক সচেতনতা এবং গণমানুষের কাছে সাহিত্যকে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে অআকখ। আয়োজকদের বিশ্বাস ভালো গল্প মানুষকে বদলায়, আর বদলে যাওয়া মানুষই গড়ে তোলে একটি সুন্দর সমাজ। সেই বিশ্বাস থেকেই  ভবিষ্যতেও সাহিত্যকে মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দিতে এবং তরুণদের মধ্যে পাঠাভ্যাস বিস্তারে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখাতে কাজ করছে অআকখ।

অনলাইন জরিপ
১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর প/দ/ত্যা/গ দাবিতে আন্দো/লন করছেন শিক্ষার্থীরা। আপনি কী মনে করেন,
এই দাবি যৌক্তিক না অ/যৌক্তিক?

শিক্ষামন্ত্রীর প/দ/ত্যা/গ দাবিতে আন্দো/লন করছেন শিক্ষার্থীরা। আপনি কী মনে করেন, এই দাবি যৌক্তিক না অ/যৌক্তিক?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

সারাদেশ

জাতীয়

জাতীয়