ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এজলাসের ভেতরে ও বাইরে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে কয়েক দফায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে পুনরায় শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা গেছে, এক দিনের রিমান্ড শেষে রোববার দুপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুর ২টার পর তাকে এজলাসে তোলা হলে সেখানে অবস্থান করাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের আইনজীবীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
এ সময় এজলাসের ভেতরে ও বাইরে কয়েক দফায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে পুনরায় আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানি শুরু হয়।
শুনানিতে আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এজলাসের ভেতরে ও বাইরে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে কয়েক দফায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে পুনরায় শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা গেছে, এক দিনের রিমান্ড শেষে রোববার দুপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুর ২টার পর তাকে এজলাসে তোলা হলে সেখানে অবস্থান করাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের আইনজীবীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
এ সময় এজলাসের ভেতরে ও বাইরে কয়েক দফায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে পুনরায় আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানি শুরু হয়।
শুনানিতে আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন