জনতার প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। একই সঙ্গে কিশোরদের অপরাধের পথ থেকে ফিরিয়ে লেখাপড়া, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে যারা পৃষ্ঠপোষকতা বা মদদ দেয়, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। যারা অন্যায় ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, কিশোরদের হাতে অস্ত্রের পরিবর্তে বই দেখতে চান। তারা লেখাপড়া করবে, দক্ষতা অর্জন করবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবটিকসের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষ করে তুলবে।
কোনো ঘটনা ঘটলেই ঢালাওভাবে সরকারের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান চিফ হুইপ। তিনি বলেন, সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধী যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
নূরুল ইসলাম মনি আরও বলেন, ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের প্রবণতা রয়েছে। অতীতে যারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কিশোর গ্যাং পরিচালনা করেছে, তারা নতুন পরিস্থিতিতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধ সংগঠিত করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে থাকা পৃষ্ঠপোষক ও তথাকথিত ‘বড় ভাইদের’ চিহ্নিত করতে হবে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন।
তিনি মনে করেন, কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
‘কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার চেয়ে সামাজিক আন্দোলনই অধিক কার্যকর’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্কে সরকারি দল হিসেবে সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং বিরোধী দল হিসেবে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিতার্কিকরা অংশ নেন।
প্রতিযোগিতায় মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিজয়ী হয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
জনতার প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। একই সঙ্গে কিশোরদের অপরাধের পথ থেকে ফিরিয়ে লেখাপড়া, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে যারা পৃষ্ঠপোষকতা বা মদদ দেয়, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। যারা অন্যায় ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, কিশোরদের হাতে অস্ত্রের পরিবর্তে বই দেখতে চান। তারা লেখাপড়া করবে, দক্ষতা অর্জন করবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবটিকসের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষ করে তুলবে।
কোনো ঘটনা ঘটলেই ঢালাওভাবে সরকারের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান চিফ হুইপ। তিনি বলেন, সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধী যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
নূরুল ইসলাম মনি আরও বলেন, ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের প্রবণতা রয়েছে। অতীতে যারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কিশোর গ্যাং পরিচালনা করেছে, তারা নতুন পরিস্থিতিতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধ সংগঠিত করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে থাকা পৃষ্ঠপোষক ও তথাকথিত ‘বড় ভাইদের’ চিহ্নিত করতে হবে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন।
তিনি মনে করেন, কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
‘কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার চেয়ে সামাজিক আন্দোলনই অধিক কার্যকর’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্কে সরকারি দল হিসেবে সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং বিরোধী দল হিসেবে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিতার্কিকরা অংশ নেন।
প্রতিযোগিতায় মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিজয়ী হয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন