সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের চর পাকুরিয়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত মোসলেম উদ্দিন চর পাকুরিয়া গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে। তিনি কাজলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৭ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
নিহতের ভাই ও স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান আলী জানান, মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে একই গ্রামের নান্টু সরকারের জমি ও গোচারণ ভূমি বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার রাত ৮টার দিকে মোসলেম উদ্দিন পাকুরিয়া বাজারে চা পান শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নান্টু সরকারের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত একদল লোক তাঁর পথরোধ করে।
হামলাকারীরা তাঁকে রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে তাঁকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে সারিয়াকান্দি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ এজাহারনামীয় ছয় আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান:"চরের জমি জমা নিয়ে বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এজাহারভুক্ত ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের চর পাকুরিয়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত মোসলেম উদ্দিন চর পাকুরিয়া গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে। তিনি কাজলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৭ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
নিহতের ভাই ও স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান আলী জানান, মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে একই গ্রামের নান্টু সরকারের জমি ও গোচারণ ভূমি বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার রাত ৮টার দিকে মোসলেম উদ্দিন পাকুরিয়া বাজারে চা পান শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নান্টু সরকারের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত একদল লোক তাঁর পথরোধ করে।
হামলাকারীরা তাঁকে রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে তাঁকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে সারিয়াকান্দি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ এজাহারনামীয় ছয় আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান:"চরের জমি জমা নিয়ে বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এজাহারভুক্ত ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন