নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়নভিত্তিক সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমানের বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নিয়ে সার ডিলার নিয়োগে সুপারিশ করার অভিযোগ করেছেন বঞ্চিত ব্যবসায়ী ও উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দিতে ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগ্যতা, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য সরকারি শর্ত বিবেচনা করার কথা। কিন্তু কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।
তাঁদের দাবি, উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে মোট ২৭ জনকে সার ডিলার হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এ তালিকায় প্রকৃত ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুপারিশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা পাটোয়ারি অভিযোগ করেন, ইউএনও আরিফুর রহমান উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই স্বেচ্ছাচারী আচরণ করছেন। সার ডিলার নিয়োগের পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ডের কর্মী নিয়োগেও অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ইউএনও নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়েছেন এবং যোগ্য বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়েছেন।
বাহাগিলী ইউনিয়ন বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক নুরনবী ইসলাম বলেন, সার ডিলার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ইউএনও নিজের পছন্দ অনুযায়ী ব্যক্তিদের সুপারিশ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
একই অভিযোগ করেন পুটিমারি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মকছুদার রহমান। তিনি সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানান।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান বলেন, উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই করেই সম্মিলিতভাবে সার ডিলার নিয়োগের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে। কোনো অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউএনও বলেন, কেউ এ ধরনের অভিযোগ করলে সেটি প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযোগকারীর।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বঞ্চিত ব্যবসায়ী ও অভিযোগকারীরা।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়নভিত্তিক সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমানের বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নিয়ে সার ডিলার নিয়োগে সুপারিশ করার অভিযোগ করেছেন বঞ্চিত ব্যবসায়ী ও উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দিতে ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগ্যতা, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য সরকারি শর্ত বিবেচনা করার কথা। কিন্তু কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।
তাঁদের দাবি, উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে মোট ২৭ জনকে সার ডিলার হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এ তালিকায় প্রকৃত ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুপারিশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা পাটোয়ারি অভিযোগ করেন, ইউএনও আরিফুর রহমান উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই স্বেচ্ছাচারী আচরণ করছেন। সার ডিলার নিয়োগের পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ডের কর্মী নিয়োগেও অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ইউএনও নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়েছেন এবং যোগ্য বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়েছেন।
বাহাগিলী ইউনিয়ন বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক নুরনবী ইসলাম বলেন, সার ডিলার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ইউএনও নিজের পছন্দ অনুযায়ী ব্যক্তিদের সুপারিশ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
একই অভিযোগ করেন পুটিমারি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মকছুদার রহমান। তিনি সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানান।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান বলেন, উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই করেই সম্মিলিতভাবে সার ডিলার নিয়োগের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে। কোনো অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউএনও বলেন, কেউ এ ধরনের অভিযোগ করলে সেটি প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযোগকারীর।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বঞ্চিত ব্যবসায়ী ও অভিযোগকারীরা।

আপনার মতামত লিখুন