জনতার প্রেস

মূল পাতা

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও যেসব বিশেষ রুটিন ভাঙেননি সামান্থা

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও যেসব বিশেষ রুটিন ভাঙেননি সামান্থা
ভারতীয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ছবি: সংগৃহীত

দিনের শুরুটা কেমন হচ্ছে, তার প্রভাব পড়তে পারে সারাদিনের মেজাজে মর্জির ওপর। কাজের চাপ, ব্যস্ততা আর নানা দুশ্চিন্তার মধ্যে নিজের জন্য একটু সময় বার করাও অনেকের কাছে কঠিন। কিন্তু দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর প্রতিদিনের কয়েকটি ছোট ছোট অভ্যাস তাকে মানসিকভাবে স্থির থাকতে সাহায্য করে। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও সেই অভ্যাসগুলো বজায় রেখে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নিজের সকালের তিনটি অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

সামান্থা রুথ প্রভু বলেন, ‘সকালের রুটিনে খাদ্যতালিকায় ১০০ পদের খাবার থাকতে পারে, কিন্তু আমার জন্য বিশেষ কিছু নিয়ম বাধ্যতামূলক। যেখানেই থাকি না কেন, এই রুটিন ভাঙি না কখনো। 

তিনি বলেন, প্রতিদিন সকালে আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মতো সময় নিই। আমার মন, স্নায়ুতন্ত্র— সবকিছুকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এ সময়টুকু। যদি আমায় দেখে মনে হয়, আমি ১০০টা কাজ করতে পারছি, তার নেপথ্যে সকালের ওই রুটিন। তারই কৃতিত্ব রয়েছে। তার জোরেই আমি সারাদিন ভালো থাকার চেষ্টা করি।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, সমান্থার সকালের রুটিন ঠিক কেমন—

এক পাতার জার্নাল লেখা

সামান্থার সকাল শুরু হয় কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে। আর সেটিকে তিনি লিপিবদ্ধ করেন খাতার একটি পাতায়। প্রতিদিন এমন কিছু বিষয় তিনি খাতায় লিখে থাকেন, যেসবের জন্য কৃতজ্ঞবোধ করেন। তবে প্রথম দিকে এ অভ্যাস তার কাছে সহজ ছিল না। জীবনের একটি কঠিন সময়ে একজনের পরামর্শে ডায়েরি লেখা শুরু করেছিলেন তিনি। তখন মানসিকভাবে ভালো না থাকায় ইতিবাচক কিছু খুঁজে বার করে লেখা বেশ কঠিন মনে হতো। প্রথম কয়েক মাস এ অভ্যাস বজায় রাখতেও যথেষ্ট কষ্ট হয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে পরিস্থিতির দিকে তাকানোর দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে শুরু করে। আরও পড়ুনআরও পড়ুনজেনে নিন সোহা আলির বিশেষ স্ন্যাকস রেসিপি, মিলবে পুষ্টি

অভিনেত্রী বলেন, শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠার আগেই তিনি মানসিকভাবে সুস্থবোধ করতে শুরু করেছিলেন। এখন ব্যস্ততা যতই থাকুক, এ অভ্যাস থেকে বিরতি নিতে চান না তিনি।

ডায়েরি লেখার পর সামান্থা কিছুক্ষণ সকালের রোদে সময় কাটান। দিনের শুরুতে প্রাকৃতিক আলো দেহের জৈবিক ঘড়ি অর্থাৎ ঘুম-জাগরণের ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে কতক্ষণ রোদে থাকা প্রয়োজন, তা ঋতু, ত্বকের ধরন ও সূর্যালোকের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। তাই দীর্ঘক্ষণ কড়া রোদে থাকার প্রয়োজন নেই।

অভিনেত্রীর সকালের রুটিনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধ্যান করা। ডায়েরি লেখা আর রোদে সময় কাটানোর পাশাপাশি ধ্যানের জন্যও সময় বরাদ্দ রাখেন সামান্থা রুথ প্রভু। তিনি বলেন, এ অভ্যাসগুলো তাকে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা সময় দেন তিনি নিজের এই রুটিনে। কোথায় রয়েছেন কিংবা কতটা ব্যস্ত, তা নির্বিশেষে অভ্যাসগুলো বজায় রাখার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী।

অভিনেত্রী লাইফস্টাইল সামান্থা রুথ প্রভু

আপনার মতামত লিখুন

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও যেসব বিশেষ রুটিন ভাঙেননি সামান্থা
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও যেসব বিশেষ রুটিন ভাঙেননি সামান্থা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দিনের শুরুটা কেমন হচ্ছে, তার প্রভাব পড়তে পারে সারাদিনের মেজাজে মর্জির ওপর। কাজের চাপ, ব্যস্ততা আর নানা দুশ্চিন্তার মধ্যে নিজের জন্য একটু সময় বার করাও অনেকের কাছে কঠিন। কিন্তু দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর প্রতিদিনের কয়েকটি ছোট ছোট অভ্যাস তাকে মানসিকভাবে স্থির থাকতে সাহায্য করে। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও সেই অভ্যাসগুলো বজায় রেখে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নিজের সকালের তিনটি অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

সামান্থা রুথ প্রভু বলেন, ‘সকালের রুটিনে খাদ্যতালিকায় ১০০ পদের খাবার থাকতে পারে, কিন্তু আমার জন্য বিশেষ কিছু নিয়ম বাধ্যতামূলক। যেখানেই থাকি না কেন, এই রুটিন ভাঙি না কখনো। 

তিনি বলেন, প্রতিদিন সকালে আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মতো সময় নিই। আমার মন, স্নায়ুতন্ত্র— সবকিছুকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এ সময়টুকু। যদি আমায় দেখে মনে হয়, আমি ১০০টা কাজ করতে পারছি, তার নেপথ্যে সকালের ওই রুটিন। তারই কৃতিত্ব রয়েছে। তার জোরেই আমি সারাদিন ভালো থাকার চেষ্টা করি।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, সমান্থার সকালের রুটিন ঠিক কেমন—

এক পাতার জার্নাল লেখা

সামান্থার সকাল শুরু হয় কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে। আর সেটিকে তিনি লিপিবদ্ধ করেন খাতার একটি পাতায়। প্রতিদিন এমন কিছু বিষয় তিনি খাতায় লিখে থাকেন, যেসবের জন্য কৃতজ্ঞবোধ করেন। তবে প্রথম দিকে এ অভ্যাস তার কাছে সহজ ছিল না। জীবনের একটি কঠিন সময়ে একজনের পরামর্শে ডায়েরি লেখা শুরু করেছিলেন তিনি। তখন মানসিকভাবে ভালো না থাকায় ইতিবাচক কিছু খুঁজে বার করে লেখা বেশ কঠিন মনে হতো। প্রথম কয়েক মাস এ অভ্যাস বজায় রাখতেও যথেষ্ট কষ্ট হয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে পরিস্থিতির দিকে তাকানোর দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে শুরু করে। আরও পড়ুনআরও পড়ুনজেনে নিন সোহা আলির বিশেষ স্ন্যাকস রেসিপি, মিলবে পুষ্টি

অভিনেত্রী বলেন, শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠার আগেই তিনি মানসিকভাবে সুস্থবোধ করতে শুরু করেছিলেন। এখন ব্যস্ততা যতই থাকুক, এ অভ্যাস থেকে বিরতি নিতে চান না তিনি।

ডায়েরি লেখার পর সামান্থা কিছুক্ষণ সকালের রোদে সময় কাটান। দিনের শুরুতে প্রাকৃতিক আলো দেহের জৈবিক ঘড়ি অর্থাৎ ঘুম-জাগরণের ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে কতক্ষণ রোদে থাকা প্রয়োজন, তা ঋতু, ত্বকের ধরন ও সূর্যালোকের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। তাই দীর্ঘক্ষণ কড়া রোদে থাকার প্রয়োজন নেই।

অভিনেত্রীর সকালের রুটিনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধ্যান করা। ডায়েরি লেখা আর রোদে সময় কাটানোর পাশাপাশি ধ্যানের জন্যও সময় বরাদ্দ রাখেন সামান্থা রুথ প্রভু। তিনি বলেন, এ অভ্যাসগুলো তাকে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা সময় দেন তিনি নিজের এই রুটিনে। কোথায় রয়েছেন কিংবা কতটা ব্যস্ত, তা নির্বিশেষে অভ্যাসগুলো বজায় রাখার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী।


জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস