আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা বা ‘রিকনসিলিয়েশন’ নিয়ে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ অতীতের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেও সমঝোতার আলোচনা শুরু হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। দলটির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও নেতৃত্বের অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার বাস্তব সম্ভাবনাও দেখছেন না তিনি।
একই সঙ্গে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিলেও এ নিয়ে সরকারের কোনো উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অবশ্যই হতে হবে। রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনা কোনোভাবেই বিচারপ্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু দলটির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সেসব অপরাধ স্বীকার বা অনুশোচনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে উসকানি ও সংঘাত সৃষ্টির প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যে দল দেশের ভেতরে সন্ত্রাস ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করছে, তাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান সহজেই অনুমেয়। সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তিনি আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার ও রায় হয়েছে। অন্য যেসব বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সেগুলোও অব্যাহত থাকবে।
আওয়ামী লীগ অতীতের অপরাধের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে সমঝোতার সুযোগ তৈরি হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ক্ষমা চাইলেই রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনা শুরু হবে—সরকার এমন কোনো শর্ত দেয়নি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে অপরাধের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে তখনকার পরিস্থিতিতে আলোচনা আদৌ সম্ভব কি না, তা বিবেচনার বিষয় হতে পারে। তবে সেটি সম্পূর্ণ তাত্ত্বিক আলোচনা। এর অর্থ এই নয় যে সরকার বর্তমানে কোনো সমঝোতা প্রক্রিয়ায় যেতে চাইছে।
আওয়ামী লীগের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের বাইরেও দীর্ঘদিন ধরে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে নির্যাতন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানোর মতো গুরুতর ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বিএনপি নেতা হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মামলার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের এসব কর্মকাণ্ডের দায় বিবেচনায় না নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসার বিষয়টি মূল্যায়ন করা যায় না।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনা বিভিন্ন মহলে উঠেছিল। সে সময়ও অপরাধ স্বীকার ও অনুশোচনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তবে তাঁর দাবি, এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়নি। ক্ষমা চাওয়া বা অনুতাপ প্রকাশের পরিবর্তে দলটির বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে হুমকি এবং সহিংসতা উসকে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের গত দুই বছরের কর্মকাণ্ডও বিবেচনায় নিতে হবে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে ব্যক্তিগতভাবে দলটির সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার বাস্তব সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি।
ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন—এমন প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, তাঁর দেশে ফেরা নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। সরকার নিজেই তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করতে চায়।
তিনি বলেন, “আমরা চাইছি উনি আসুক। আমাদের কি কোনো অস্পষ্টতা আছে যে শেখ হাসিনাকে আমরা চাই না বাংলাদেশে?”
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার হয়েছে এবং আদালতের রায়ও এসেছে। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকার তার অবস্থান থেকে সরে আসেনি।
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলে সরকার কী করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যাঁকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার নিজেই চেষ্টা করছে, তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলে তাতে সরকারের কোনো সমস্যা নেই।
তথ্য উপদেষ্টার ভাষ্য, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রয়েছে। গুরুতর অপরাধের অভিযোগের বিচার দেশের বিচারব্যবস্থার মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে চায় সরকার।
শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জাহেদ উর রহমান বলেন, এ বিষয়ে ভারতের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রত্যর্পণের দাবির পাশাপাশি আদালতের রায়ের বিষয়টিও ভারতকে জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রসঙ্গেও শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আনা হয়েছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং সেই অবস্থান থেকেই প্রত্যর্পণের বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হলেই ভারত তাঁকে হস্তান্তর করবে, বিষয়টি এমন নয়। এ ক্ষেত্রে ভারতের নিজস্ব অবস্থান ও বক্তব্যও রয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের উদ্যোগে ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করার কারণ নেই। সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
জনতার প্রেস

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা বা ‘রিকনসিলিয়েশন’ নিয়ে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ অতীতের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেও সমঝোতার আলোচনা শুরু হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। দলটির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও নেতৃত্বের অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার বাস্তব সম্ভাবনাও দেখছেন না তিনি।
একই সঙ্গে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিলেও এ নিয়ে সরকারের কোনো উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অবশ্যই হতে হবে। রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনা কোনোভাবেই বিচারপ্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু দলটির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সেসব অপরাধ স্বীকার বা অনুশোচনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে উসকানি ও সংঘাত সৃষ্টির প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যে দল দেশের ভেতরে সন্ত্রাস ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করছে, তাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান সহজেই অনুমেয়। সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তিনি আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার ও রায় হয়েছে। অন্য যেসব বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সেগুলোও অব্যাহত থাকবে।
আওয়ামী লীগ অতীতের অপরাধের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে সমঝোতার সুযোগ তৈরি হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ক্ষমা চাইলেই রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনা শুরু হবে—সরকার এমন কোনো শর্ত দেয়নি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে অপরাধের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে তখনকার পরিস্থিতিতে আলোচনা আদৌ সম্ভব কি না, তা বিবেচনার বিষয় হতে পারে। তবে সেটি সম্পূর্ণ তাত্ত্বিক আলোচনা। এর অর্থ এই নয় যে সরকার বর্তমানে কোনো সমঝোতা প্রক্রিয়ায় যেতে চাইছে।
আওয়ামী লীগের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের বাইরেও দীর্ঘদিন ধরে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে নির্যাতন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানোর মতো গুরুতর ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বিএনপি নেতা হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মামলার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের এসব কর্মকাণ্ডের দায় বিবেচনায় না নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসার বিষয়টি মূল্যায়ন করা যায় না।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনা বিভিন্ন মহলে উঠেছিল। সে সময়ও অপরাধ স্বীকার ও অনুশোচনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তবে তাঁর দাবি, এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়নি। ক্ষমা চাওয়া বা অনুতাপ প্রকাশের পরিবর্তে দলটির বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে হুমকি এবং সহিংসতা উসকে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের গত দুই বছরের কর্মকাণ্ডও বিবেচনায় নিতে হবে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে ব্যক্তিগতভাবে দলটির সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার বাস্তব সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি।
ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন—এমন প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, তাঁর দেশে ফেরা নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। সরকার নিজেই তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করতে চায়।
তিনি বলেন, “আমরা চাইছি উনি আসুক। আমাদের কি কোনো অস্পষ্টতা আছে যে শেখ হাসিনাকে আমরা চাই না বাংলাদেশে?”
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার হয়েছে এবং আদালতের রায়ও এসেছে। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকার তার অবস্থান থেকে সরে আসেনি।
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলে সরকার কী করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যাঁকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার নিজেই চেষ্টা করছে, তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলে তাতে সরকারের কোনো সমস্যা নেই।
তথ্য উপদেষ্টার ভাষ্য, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রয়েছে। গুরুতর অপরাধের অভিযোগের বিচার দেশের বিচারব্যবস্থার মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে চায় সরকার।
শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জাহেদ উর রহমান বলেন, এ বিষয়ে ভারতের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রত্যর্পণের দাবির পাশাপাশি আদালতের রায়ের বিষয়টিও ভারতকে জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রসঙ্গেও শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আনা হয়েছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং সেই অবস্থান থেকেই প্রত্যর্পণের বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হলেই ভারত তাঁকে হস্তান্তর করবে, বিষয়টি এমন নয়। এ ক্ষেত্রে ভারতের নিজস্ব অবস্থান ও বক্তব্যও রয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের উদ্যোগে ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করার কারণ নেই। সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
জনতার প্রেস

আপনার মতামত লিখুন