নিজস্ব প্রতিবেদক | জনতার প্রেস
রাজধানীর যানজট নিরসন ও দূরপাল্লার বাসের চাপ কমাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের চুনকুঠিয়ায় রাজউকের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প এলাকায় অস্থায়ী বাস টার্মিনাল চালু করা হয়েছে। এ টার্মিনাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলায় বাস চলাচল শুরুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর অভ্যন্তরে দূরপাল্লার বাসের চলাচল কমবে। একই সঙ্গে সড়কে যানজট হ্রাস, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং যাত্রীদের যাতায়াত আরও নির্বিঘ্ন করা সম্ভব হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে অস্থায়ী বাস টার্মিনালটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে চুনকুঠিয়ায় এ অস্থায়ী বাস টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ মার্চ, ১৪ মে, ১৫ জুন ও ২৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাগুলোতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বাইরে দূরপাল্লার বাস পরিচালনার বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে টার্মিনালটি চালু করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই মাসের মধ্যে এ টার্মিনাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলায় বাস চলাচল শুরু হবে। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দূরপাল্লার বাসের উপস্থিতি ও চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পনাটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ কমানোর পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সহজ হবে। পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও উদ্যোগটি ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে এ পরিকল্পনার সুফল পেতে টার্মিনাল থেকে বাস চলাচলের রুট নির্ধারণ, যাত্রী ওঠানামার ব্যবস্থা, গণপরিবহনের সঙ্গে সংযোগ এবং পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
রাজধানীর যানজট নিরসন ও আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ডিএমপি।
জনস্বার্থে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
অস্থায়ী বাস টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে রাজধানীর যানজট পরিস্থিতিতে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তা নির্ভর করবে পরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের ওপর।
জনতার প্রেস | নগর সংবাদ

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | জনতার প্রেস
রাজধানীর যানজট নিরসন ও দূরপাল্লার বাসের চাপ কমাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের চুনকুঠিয়ায় রাজউকের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প এলাকায় অস্থায়ী বাস টার্মিনাল চালু করা হয়েছে। এ টার্মিনাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলায় বাস চলাচল শুরুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর অভ্যন্তরে দূরপাল্লার বাসের চলাচল কমবে। একই সঙ্গে সড়কে যানজট হ্রাস, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং যাত্রীদের যাতায়াত আরও নির্বিঘ্ন করা সম্ভব হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে অস্থায়ী বাস টার্মিনালটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে চুনকুঠিয়ায় এ অস্থায়ী বাস টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ মার্চ, ১৪ মে, ১৫ জুন ও ২৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাগুলোতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বাইরে দূরপাল্লার বাস পরিচালনার বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে টার্মিনালটি চালু করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই মাসের মধ্যে এ টার্মিনাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলায় বাস চলাচল শুরু হবে। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দূরপাল্লার বাসের উপস্থিতি ও চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পনাটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ কমানোর পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সহজ হবে। পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও উদ্যোগটি ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে এ পরিকল্পনার সুফল পেতে টার্মিনাল থেকে বাস চলাচলের রুট নির্ধারণ, যাত্রী ওঠানামার ব্যবস্থা, গণপরিবহনের সঙ্গে সংযোগ এবং পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
রাজধানীর যানজট নিরসন ও আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ডিএমপি।
জনস্বার্থে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
অস্থায়ী বাস টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে রাজধানীর যানজট পরিস্থিতিতে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তা নির্ভর করবে পরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের ওপর।
জনতার প্রেস | নগর সংবাদ

আপনার মতামত লিখুন