ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে এবং দেশে ফিরতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে ফেরার পর সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, সেটি সরকারের বিষয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আশুগঞ্জের আবদুল কাদির শাহ পাঠাগার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। একই বক্তব্যের কথা একাধিক সংবাদমাধ্যমও জানিয়েছে।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে পারে, আবার যেকোনো সময় দেশে ঢুকতেও পারে। এটা সংবিধানে স্পষ্ট বলে দেওয়া আছে। বাংলাদেশে ঢোকার পরে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, সেটা সরকারের হাতে।’
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে আশুগঞ্জে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করে উপজেলা বিএনপি। ১২ সেপ্টেম্বরের ওই কর্মসূচিতে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে তাঁকে আশুগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার হুঁশিয়ারিও দেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘রাজনীতিতে এটা হয়। এটা কিছু না। রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকবে, অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে। রাজনীতিতে মিছিল-মিটিং হবে, সেটাই না রাজনীতি! তো এগুলো সবই স্বাভাবিক।’
সংসদে দেওয়া বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বিএনপি ক্ষমতায় এলে গ্যাস-বিদ্যুৎ ও সার সংকট, দুর্নীতি এবং ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমালোচনা করেন। তাঁর ওই বক্তব্যের প্রতিবাদেই আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঝাড়ু মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে।
রুমিন ফারহানার সর্বশেষ মন্তব্যে একদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তাঁর অবস্থান উঠে এসেছে, অন্যদিকে নিজ দলের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির সাম্প্রতিক বিরোধের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে এবং দেশে ফিরতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে ফেরার পর সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, সেটি সরকারের বিষয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আশুগঞ্জের আবদুল কাদির শাহ পাঠাগার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। একই বক্তব্যের কথা একাধিক সংবাদমাধ্যমও জানিয়েছে।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে পারে, আবার যেকোনো সময় দেশে ঢুকতেও পারে। এটা সংবিধানে স্পষ্ট বলে দেওয়া আছে। বাংলাদেশে ঢোকার পরে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, সেটা সরকারের হাতে।’
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে আশুগঞ্জে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করে উপজেলা বিএনপি। ১২ সেপ্টেম্বরের ওই কর্মসূচিতে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে তাঁকে আশুগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার হুঁশিয়ারিও দেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘রাজনীতিতে এটা হয়। এটা কিছু না। রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকবে, অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে। রাজনীতিতে মিছিল-মিটিং হবে, সেটাই না রাজনীতি! তো এগুলো সবই স্বাভাবিক।’
সংসদে দেওয়া বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বিএনপি ক্ষমতায় এলে গ্যাস-বিদ্যুৎ ও সার সংকট, দুর্নীতি এবং ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমালোচনা করেন। তাঁর ওই বক্তব্যের প্রতিবাদেই আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঝাড়ু মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে।
রুমিন ফারহানার সর্বশেষ মন্তব্যে একদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তাঁর অবস্থান উঠে এসেছে, অন্যদিকে নিজ দলের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির সাম্প্রতিক বিরোধের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন