নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার প্রেস
তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আগস্ট ২০২৬ মাসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে ৭৮৪টি হারানো মোবাইল ফোন, প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ, মাদক, অস্ত্র, বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্য উদ্ধার করেছে সংস্থাটি। একই সময়ে বিভিন্ন মামলার আসামি ও অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের পাশাপাশি নাগরিকদের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এপিবিএন হেডকোয়ার্টার্সের এলআইসি শাখার তথ্যপ্রযুক্তিগত সহায়তায় বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে ৭৮৪টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তিনটি হ্যাকড ফেসবুক আইডি, দুটি হ্যাকড হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট, দুটি হ্যাকড ই-মেইল অ্যাকাউন্ট এবং একটি হ্যাকড টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে ৫৭২ জনকে সহায়তা দেওয়া হয়। বিকাশ-নগদ প্রতারণার ঘটনায় ৭ লাখ ৪৯ হাজার ৭১৮ টাকা উদ্ধার করেছে এপিবিএন।
অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার
এপিবিএনের বিভিন্ন ইউনিটের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযানে দুটি ওয়ান শুটার গান, তিন রাউন্ড গুলি ও দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫২ পিস ইয়াবা, ৩ দশমিক ৪৯ কেজি গাঁজা, ৪৩ দশমিক ৭৫ লিটার মদ, ৩৮৭ কার্টন সিগারেট, ২০৯ পিস ভেপ সিগারেট এবং ৩ হাজার ৪০০ টাকা। এসব ঘটনায় ১১টি মামলা দায়ের করে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ট্রাফিক ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম
আগস্ট মাসে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ৪৮৩টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ১৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিএসটিআই, কাস্টমস ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমে ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৭২ টাকা জরিমানা আদায় ও সাজা প্রদান করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমে মোট ৩৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
বিভিন্ন অভিযানে ২৫ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, ১৫ জন এজাহারনামীয় আসামি এবং ছয়জন সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি জুয়া মামলায় তিনজন, দুটি চুরি মামলায় একজন এবং দুটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া একটি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলায় ছয়জন এবং চারটি অন্যান্য মামলায় ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এসব অভিযানে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত ১৮টি মোবাইল ফোন, চুরি যাওয়া দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রায় ১০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার
চোরাচালানবিরোধী অভিযানে এপিবিএনের বিভিন্ন ইউনিট ৪ হাজার ৯২৯ গ্রাম স্বর্ণের বার ও অলংকার উদ্ধার করেছে। উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৮৫ টাকা।
এসব ঘটনায় ১৭টি মামলা দায়ের করে ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ২০০ গ্রাম রুপার বার, ১ হাজার ৭৬ কেজি কসমেটিকস, ১১৫ পিস শাড়ি/থ্রি-পিস, ২৬৮ কেজি খাদ্যদ্রব্য, ১৭টি ঘড়ি, ১০ কেজি ইমিটেশন জুয়েলারি এবং ফেব্রিক্স ও মেশিনারিজসহ ৩৩৭ কেজি অন্যান্য পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানে ৫ হাজার ৬৮৫ সৌদি রিয়াল, ৬০০ কাতারি রিয়াল, ৩ হাজার ২৭০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ১ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার, ৩৫ দিরহাম এবং ৪০ হাজার মার্কিন ডলার উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৭৬ টাকা বাংলাদেশি মুদ্রাও উদ্ধার করা হয়।
জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
মানবিক কার্যক্রম ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান
মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগস্ট মাসে তিনজন নিখোঁজ শিশু ও ১৯ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে এপিবিএন। এ সংক্রান্ত দুটি মামলা দায়ের করে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি চারটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ২৩টি যানবাহন আটক করে শাহপরী হাইওয়ে থানায় পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ রেশনসামগ্রী উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে ১০০ পিস পোকার ফাঁদ, ১৫০ কেজি ডাল, ১০৯টি বেবি ফুড, ১০০ কেজি শুকনা মরিচ, ৫০ লিটার সরিষার তেল, ৫৯৬ পিস গামছা, ৫০ কেজি শুকনা হলুদ, ৪০টি ওটস, ১০৫ কেজি চিনি, পাঁচটি সুতার নেট, ২৫ কেজি কালো রশি এবং ১ হাজার ২৮৭ পিস সাবান উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পাশাপাশি ৪৬ কেজি সামুদ্রিক কাঁকড়া, ৭০০ গ্রাম চোরাই বৈদ্যুতিক তামার তার, ২৫ কেজি তামার এসির এয়ার ফিল্টার এবং একটি বৈদ্যুতিক সোলার প্যানেল ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়েছে।
৪৩টি জিআর/সিআর মামলা
আগস্ট মাসে ৮, ১৪ ও ১৬ এপিবিএনের মাধ্যমে মোট ৪৩টি জিআর/সিআর মামলা রুজু করা হয়েছে। এসব মামলায় সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাগুলো বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
এপিবিএন পুলিশ সুপার (ট্রেনিং, ল অ্যান্ড মিডিয়া) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন ইউনিটের অভিযান, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এপিবিএনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ দমন এবং নাগরিক সেবা আরও সহজ ও দ্রুততর করতে ভবিষ্যতেও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার প্রেস
তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আগস্ট ২০২৬ মাসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে ৭৮৪টি হারানো মোবাইল ফোন, প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ, মাদক, অস্ত্র, বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্য উদ্ধার করেছে সংস্থাটি। একই সময়ে বিভিন্ন মামলার আসামি ও অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের পাশাপাশি নাগরিকদের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এপিবিএন হেডকোয়ার্টার্সের এলআইসি শাখার তথ্যপ্রযুক্তিগত সহায়তায় বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে ৭৮৪টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তিনটি হ্যাকড ফেসবুক আইডি, দুটি হ্যাকড হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট, দুটি হ্যাকড ই-মেইল অ্যাকাউন্ট এবং একটি হ্যাকড টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে ৫৭২ জনকে সহায়তা দেওয়া হয়। বিকাশ-নগদ প্রতারণার ঘটনায় ৭ লাখ ৪৯ হাজার ৭১৮ টাকা উদ্ধার করেছে এপিবিএন।
অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার
এপিবিএনের বিভিন্ন ইউনিটের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযানে দুটি ওয়ান শুটার গান, তিন রাউন্ড গুলি ও দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫২ পিস ইয়াবা, ৩ দশমিক ৪৯ কেজি গাঁজা, ৪৩ দশমিক ৭৫ লিটার মদ, ৩৮৭ কার্টন সিগারেট, ২০৯ পিস ভেপ সিগারেট এবং ৩ হাজার ৪০০ টাকা। এসব ঘটনায় ১১টি মামলা দায়ের করে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ট্রাফিক ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম
আগস্ট মাসে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ৪৮৩টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ১৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিএসটিআই, কাস্টমস ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমে ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৭২ টাকা জরিমানা আদায় ও সাজা প্রদান করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমে মোট ৩৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
বিভিন্ন অভিযানে ২৫ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, ১৫ জন এজাহারনামীয় আসামি এবং ছয়জন সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি জুয়া মামলায় তিনজন, দুটি চুরি মামলায় একজন এবং দুটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া একটি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলায় ছয়জন এবং চারটি অন্যান্য মামলায় ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এসব অভিযানে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত ১৮টি মোবাইল ফোন, চুরি যাওয়া দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রায় ১০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার
চোরাচালানবিরোধী অভিযানে এপিবিএনের বিভিন্ন ইউনিট ৪ হাজার ৯২৯ গ্রাম স্বর্ণের বার ও অলংকার উদ্ধার করেছে। উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ৯ কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৮৫ টাকা।
এসব ঘটনায় ১৭টি মামলা দায়ের করে ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ২০০ গ্রাম রুপার বার, ১ হাজার ৭৬ কেজি কসমেটিকস, ১১৫ পিস শাড়ি/থ্রি-পিস, ২৬৮ কেজি খাদ্যদ্রব্য, ১৭টি ঘড়ি, ১০ কেজি ইমিটেশন জুয়েলারি এবং ফেব্রিক্স ও মেশিনারিজসহ ৩৩৭ কেজি অন্যান্য পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানে ৫ হাজার ৬৮৫ সৌদি রিয়াল, ৬০০ কাতারি রিয়াল, ৩ হাজার ২৭০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ১ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার, ৩৫ দিরহাম এবং ৪০ হাজার মার্কিন ডলার উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৭৬ টাকা বাংলাদেশি মুদ্রাও উদ্ধার করা হয়।
জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
মানবিক কার্যক্রম ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান
মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগস্ট মাসে তিনজন নিখোঁজ শিশু ও ১৯ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে এপিবিএন। এ সংক্রান্ত দুটি মামলা দায়ের করে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি চারটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ২৩টি যানবাহন আটক করে শাহপরী হাইওয়ে থানায় পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ রেশনসামগ্রী উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে ১০০ পিস পোকার ফাঁদ, ১৫০ কেজি ডাল, ১০৯টি বেবি ফুড, ১০০ কেজি শুকনা মরিচ, ৫০ লিটার সরিষার তেল, ৫৯৬ পিস গামছা, ৫০ কেজি শুকনা হলুদ, ৪০টি ওটস, ১০৫ কেজি চিনি, পাঁচটি সুতার নেট, ২৫ কেজি কালো রশি এবং ১ হাজার ২৮৭ পিস সাবান উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পাশাপাশি ৪৬ কেজি সামুদ্রিক কাঁকড়া, ৭০০ গ্রাম চোরাই বৈদ্যুতিক তামার তার, ২৫ কেজি তামার এসির এয়ার ফিল্টার এবং একটি বৈদ্যুতিক সোলার প্যানেল ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়েছে।
৪৩টি জিআর/সিআর মামলা
আগস্ট মাসে ৮, ১৪ ও ১৬ এপিবিএনের মাধ্যমে মোট ৪৩টি জিআর/সিআর মামলা রুজু করা হয়েছে। এসব মামলায় সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাগুলো বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
এপিবিএন পুলিশ সুপার (ট্রেনিং, ল অ্যান্ড মিডিয়া) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন ইউনিটের অভিযান, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এপিবিএনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ দমন এবং নাগরিক সেবা আরও সহজ ও দ্রুততর করতে ভবিষ্যতেও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন