ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এক পথচারীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় ব্যবহৃত ২২ বোরের একটি রিভলবার উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. হামিদুল গাজী (৪২)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা সংলগ্ন এলাকায় একটি খয়েরি রঙের প্রাইভেটকার থামান হামিদুল গাজী। গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ-১৬-৩০৮৭। এ সময় গাড়িতে তার সঙ্গে শিমু আক্তার তিশা ওরফে ফাতেমা ইসলাম এনি (২৬) নামে এক নারী ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে এক পথচারীর সঙ্গে হামিদুলের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে গাড়িতে বসেই নিজের কাছে থাকা রিভলবার দিয়ে ওই পথচারীকে লক্ষ্য করে পরপর দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েন তিনি। পরে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।
ঘটনার পর ভাঙ্গা থানা পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানে হামিদুলের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১০ সেপ্টেম্বর ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রশান্ত কুমার মন্ডল বাদী হয়ে অস্ত্র আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর-০৬।
পরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর র্যাব-১-এর সহযোগিতায় ঢাকার বনানী এলাকা থেকে হামিদুল গাজীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সময় তার সঙ্গে থাকা নারী আরোহী শিমু আক্তার তিশাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, হামিদুলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় আরও ৯টি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হামিদুল জানান, ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি তিনি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার নিজ বাড়ির একটি পরিত্যক্ত টয়লেটে লুকিয়ে রেখেছেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল লৌহজং উপজেলার গোয়ালী মান্দ্রা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ২২ বোরের রিভলবারটি উদ্ধার করা হয়।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী বলেন, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন এবং আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এক পথচারীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় ব্যবহৃত ২২ বোরের একটি রিভলবার উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. হামিদুল গাজী (৪২)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা সংলগ্ন এলাকায় একটি খয়েরি রঙের প্রাইভেটকার থামান হামিদুল গাজী। গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ-১৬-৩০৮৭। এ সময় গাড়িতে তার সঙ্গে শিমু আক্তার তিশা ওরফে ফাতেমা ইসলাম এনি (২৬) নামে এক নারী ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে এক পথচারীর সঙ্গে হামিদুলের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে গাড়িতে বসেই নিজের কাছে থাকা রিভলবার দিয়ে ওই পথচারীকে লক্ষ্য করে পরপর দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েন তিনি। পরে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।
ঘটনার পর ভাঙ্গা থানা পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানে হামিদুলের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১০ সেপ্টেম্বর ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রশান্ত কুমার মন্ডল বাদী হয়ে অস্ত্র আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর-০৬।
পরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর র্যাব-১-এর সহযোগিতায় ঢাকার বনানী এলাকা থেকে হামিদুল গাজীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সময় তার সঙ্গে থাকা নারী আরোহী শিমু আক্তার তিশাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, হামিদুলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় আরও ৯টি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হামিদুল জানান, ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি তিনি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার নিজ বাড়ির একটি পরিত্যক্ত টয়লেটে লুকিয়ে রেখেছেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল লৌহজং উপজেলার গোয়ালী মান্দ্রা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ২২ বোরের রিভলবারটি উদ্ধার করা হয়।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী বলেন, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন এবং আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন