ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের অঞ্চলে রাতভর রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবা সংস্থা (ডিএসএনএস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির আবাসিক ভবন ও গুদাম লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলায় অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খুঁজে বের করে তাঁদের উদ্ধারে তৎপর রয়েছে কর্তৃপক্ষ। উদ্ধারকারীরা ইতিমধ্যে ধ্বংসস্তূপ থেকে একজন জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছেন।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো বলেন, রাতের হামলায় একটি শিশু হাসপাতালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে জানালার কাচ ভেঙে গেছে এবং আশপাশে কয়েকটি গাড়িতে আগুন লেগেছে।
কিয়েভের দক্ষিণ-পশ্চিমে সোলোমিয়ানস্কি জেলায় একটি শিল্পকেন্দ্রেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে জানান মেয়র।
বৃহত্তর কিয়েভ অঞ্চলের ব্রোভারি জেলায় এক হামলায় একজন নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানান কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর টিমুর তাকাচেঙ্কো।
রাতের শুরুতেই বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল আঞ্চলিক প্রশাসন। সতর্কবার্তায় বলা হয়, ‘এ এলাকায় আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যক্রম চলতে পারে।’
ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর সতর্কবার্তার বরাত দিয়ে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ পরে আরও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা জারি করে।
রাশিয়ার বিমান হামলায় হাজার হাজার বাড়িঘর ও স্থাপনার বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে কিয়েভ অঞ্চলের কিছু অংশ অন্ধকারে ডুবে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ গ্রিড মেরামত করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানা যায়।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রায় প্রতি রাতেই কিয়েভে হামলার ঘটনা ঘটছে। কোনো কোনো রাতে এসব হামলায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু এবং অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখেও পড়েছে রাশিয়া। এতে সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে মস্কোর ওপর চাপ বাড়ছে। এ সপ্তাহে রাশিয়ায় পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। বর্তমানে দেশটির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যার বড় অংশই পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী এলাকায়।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের অঞ্চলে রাতভর রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবা সংস্থা (ডিএসএনএস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির আবাসিক ভবন ও গুদাম লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলায় অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খুঁজে বের করে তাঁদের উদ্ধারে তৎপর রয়েছে কর্তৃপক্ষ। উদ্ধারকারীরা ইতিমধ্যে ধ্বংসস্তূপ থেকে একজন জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছেন।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো বলেন, রাতের হামলায় একটি শিশু হাসপাতালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে জানালার কাচ ভেঙে গেছে এবং আশপাশে কয়েকটি গাড়িতে আগুন লেগেছে।
কিয়েভের দক্ষিণ-পশ্চিমে সোলোমিয়ানস্কি জেলায় একটি শিল্পকেন্দ্রেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে জানান মেয়র।
বৃহত্তর কিয়েভ অঞ্চলের ব্রোভারি জেলায় এক হামলায় একজন নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানান কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর টিমুর তাকাচেঙ্কো।
রাতের শুরুতেই বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল আঞ্চলিক প্রশাসন। সতর্কবার্তায় বলা হয়, ‘এ এলাকায় আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যক্রম চলতে পারে।’
ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর সতর্কবার্তার বরাত দিয়ে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ পরে আরও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা জারি করে।
রাশিয়ার বিমান হামলায় হাজার হাজার বাড়িঘর ও স্থাপনার বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে কিয়েভ অঞ্চলের কিছু অংশ অন্ধকারে ডুবে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ গ্রিড মেরামত করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানা যায়।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রায় প্রতি রাতেই কিয়েভে হামলার ঘটনা ঘটছে। কোনো কোনো রাতে এসব হামলায় কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু এবং অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখেও পড়েছে রাশিয়া। এতে সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে মস্কোর ওপর চাপ বাড়ছে। এ সপ্তাহে রাশিয়ায় পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। বর্তমানে দেশটির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যার বড় অংশই পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী এলাকায়।

আপনার মতামত লিখুন