জনতার প্রেস

মূল পাতা

আন্তর্জাতিক

সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার প্রেস

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ বিয়ে করেছেন সাংবাদিক নিধি রাজদানকে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁরা। ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সদস্যদের উপস্থিতিতে শ্রীনগরে ছোট পরিসরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নববধূ নিধি রাজদানের সঙ্গে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো।’ একই পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগ করেন তিনি।

ওমরের পোস্টের জবাবে ৪৯ বছর বয়সী সাংবাদিক নিধি রাজদানও তাঁকে ট্যাগ করে লেখেন, ‘ইটস ডান ব্রো।’ তাঁদের এই পোস্টের মধ্য দিয়ে বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে।

বিয়ের আয়োজন সম্পর্কে অবগত কয়েকজনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শ্রীনগরে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ওমর আবদুল্লাহর বাবা ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লাহ, মা মলি আবদুল্লাহ, তাঁর তিন বোন এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন।

অন্যদিকে নিধি রাজদানের মা-বাবা প্রবীণ সাংবাদিক এম কে রাজদান ও সরলা রাজদানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে পায়েল আবদুল্লাহর বিয়ে হয়েছিল। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছিল। একপর্যায়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং কয়েক বছর ধরে আইনি লড়াই চলে। পরে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে তাঁরা বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন। গত জুলাইয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ আনুষ্ঠানিকভাবে মঞ্জুর করেন।

ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লির দ্য ওবেরয় হোটেলে কাজ করার সময় ওমর আবদুল্লাহ ও পায়েলের পরিচয় হয়। পরে ১৯৯৪ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে—জাহির ও জামির।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে তাঁরা আলাদা বসবাস করছিলেন। ২০১১ সালে ওমর আবদুল্লাহ প্রকাশ্যে তাঁদের আলাদা থাকার বিষয়টি জানান।

নতুন জীবনের সূচনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অনুসারীরা।

আপনার মতামত লিখুন

সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার প্রেস

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ বিয়ে করেছেন সাংবাদিক নিধি রাজদানকে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁরা। ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সদস্যদের উপস্থিতিতে শ্রীনগরে ছোট পরিসরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নববধূ নিধি রাজদানের সঙ্গে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো।’ একই পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগ করেন তিনি।

ওমরের পোস্টের জবাবে ৪৯ বছর বয়সী সাংবাদিক নিধি রাজদানও তাঁকে ট্যাগ করে লেখেন, ‘ইটস ডান ব্রো।’ তাঁদের এই পোস্টের মধ্য দিয়ে বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আসে।

বিয়ের আয়োজন সম্পর্কে অবগত কয়েকজনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শ্রীনগরে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ওমর আবদুল্লাহর বাবা ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লাহ, মা মলি আবদুল্লাহ, তাঁর তিন বোন এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন।

অন্যদিকে নিধি রাজদানের মা-বাবা প্রবীণ সাংবাদিক এম কে রাজদান ও সরলা রাজদানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে পায়েল আবদুল্লাহর বিয়ে হয়েছিল। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছিল। একপর্যায়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং কয়েক বছর ধরে আইনি লড়াই চলে। পরে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে তাঁরা বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন। গত জুলাইয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ আনুষ্ঠানিকভাবে মঞ্জুর করেন।

ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লির দ্য ওবেরয় হোটেলে কাজ করার সময় ওমর আবদুল্লাহ ও পায়েলের পরিচয় হয়। পরে ১৯৯৪ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে—জাহির ও জামির।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে তাঁরা আলাদা বসবাস করছিলেন। ২০১১ সালে ওমর আবদুল্লাহ প্রকাশ্যে তাঁদের আলাদা থাকার বিষয়টি জানান।

নতুন জীবনের সূচনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অনুসারীরা।


জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস