জনতার প্রেস

মূল পাতা

সারাদেশ

জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে সেই পুলিশকন্যা

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে সেই পুলিশকন্যা
ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার আলোচিত ‘ভাইরাল’ পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না আদালতের আদেশে নিজ জিম্মায় মুক্ত হওয়ার পর জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে গেছেন। 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। 

এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) আদালত চত্বর থেকে তামান্নাকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয় বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। পরে আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বগুড়ার আদমদীঘি থানা আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু হেনা সিদ্দিকী তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার অনুমতি দেন। আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়ার সময় তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা তাকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে থানায় নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়।

বগুড়া সদর থানার ওসি মো. ইব্রাহীম আলী জানান, আদালত তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার আদেশ দিয়েছেন। তিনি নিজের ইচ্ছায় চলে যেতে চাইলে সোমবার রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজন তাকে সেখানে নিয়ে গেছেন।

তামান্নার বাবা পুলিশ কনস্টেবল (সাময়িক বরখাস্ত) মো. রানা মাসুদের অভিযোগ, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে তার মেয়ে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় ওই দিনই আদমদীঘি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তিনি। মামলায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মো. শহিদ হোসেনসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। আরও পড়ুনআরও পড়ুনদুলাভাইকে বিয়ে করায় সালিশে ক্ষমা চাইলেন শ্যালিকা, কান ধরে তওবা শ্বশুরের

মামলার পরবর্তী পর্যায়ে গত ১ মে তামান্না শহিদ হোসেনের সঙ্গে চলে যান বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বাবা পুনরায় অপহরণের অভিযোগ করেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে আদালতে হাজির করে। এরপর তাকে রাজশাহীর একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়।

তবে তামান্না আদালতে জানান, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। তিনি নিজের ইচ্ছায় গিয়েছিলেন। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ায় আদালত তাকে নিজ জিম্মায় থাকার অনুমতি দেন।

ওসি মো. ইব্রাহীম আলী জানান, গত ২৬ অক্টোবর তামান্নার ১৮ বছর পূর্ণ হলে তাকে রাজশাহীর সেফ হোম থেকে বগুড়ার আদালতে আনা হয়। আদালতের কার্যক্রম চলাকালে তার বাবা-মা তাকে নিজেদের জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন। তবে আদালত সেই আবেদন নাকচ করে প্রাপ্তবয়স্ক তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার আদেশ দেন।

জনতার প্রেস-------

বগুড়া

আপনার মতামত লিখুন

জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে সেই পুলিশকন্যা
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে সেই পুলিশকন্যা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার আলোচিত ‘ভাইরাল’ পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না আদালতের আদেশে নিজ জিম্মায় মুক্ত হওয়ার পর জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে গেছেন। 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। 

এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) আদালত চত্বর থেকে তামান্নাকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয় বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। পরে আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বগুড়ার আদমদীঘি থানা আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু হেনা সিদ্দিকী তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার অনুমতি দেন। আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়ার সময় তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা তাকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে থানায় নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়।

বগুড়া সদর থানার ওসি মো. ইব্রাহীম আলী জানান, আদালত তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার আদেশ দিয়েছেন। তিনি নিজের ইচ্ছায় চলে যেতে চাইলে সোমবার রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজন তাকে সেখানে নিয়ে গেছেন।

তামান্নার বাবা পুলিশ কনস্টেবল (সাময়িক বরখাস্ত) মো. রানা মাসুদের অভিযোগ, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে তার মেয়ে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় ওই দিনই আদমদীঘি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তিনি। মামলায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মো. শহিদ হোসেনসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। আরও পড়ুনআরও পড়ুনদুলাভাইকে বিয়ে করায় সালিশে ক্ষমা চাইলেন শ্যালিকা, কান ধরে তওবা শ্বশুরের

মামলার পরবর্তী পর্যায়ে গত ১ মে তামান্না শহিদ হোসেনের সঙ্গে চলে যান বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বাবা পুনরায় অপহরণের অভিযোগ করেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে আদালতে হাজির করে। এরপর তাকে রাজশাহীর একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়।

তবে তামান্না আদালতে জানান, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। তিনি নিজের ইচ্ছায় গিয়েছিলেন। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ায় আদালত তাকে নিজ জিম্মায় থাকার অনুমতি দেন।

ওসি মো. ইব্রাহীম আলী জানান, গত ২৬ অক্টোবর তামান্নার ১৮ বছর পূর্ণ হলে তাকে রাজশাহীর সেফ হোম থেকে বগুড়ার আদালতে আনা হয়। আদালতের কার্যক্রম চলাকালে তার বাবা-মা তাকে নিজেদের জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন। তবে আদালত সেই আবেদন নাকচ করে প্রাপ্তবয়স্ক তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার আদেশ দেন।

জনতার প্রেস-------


জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস