জনতার প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে দেশের সব ধর্মের মানুষের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা রক্ষা এবং সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সুন্দর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি দেশ। এ দেশের সংবিধান ও সমাজে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে এবং নির্বিঘ্নে পালনের অধিকার রয়েছে।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল ও জনবান্ধব সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিজস্ব অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। দেশের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে জামায়াতের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব ধর্মের মানুষের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা রক্ষা করবেন এবং তাঁদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।
জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব উদ্যাপন করে আসছেন।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা যেন সবাই পূর্ণ স্বস্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপন করতে পারেন, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীত ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাতে এবারও নির্বিঘ্নে তাঁদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।
দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কার্যকর ও সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, উৎসবের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিক নিরাপদে উৎসবে অংশ নিতে পারেন।
বিবৃতিতে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করা এবং সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
জনতার প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে দেশের সব ধর্মের মানুষের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা রক্ষা এবং সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সুন্দর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি দেশ। এ দেশের সংবিধান ও সমাজে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে এবং নির্বিঘ্নে পালনের অধিকার রয়েছে।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল ও জনবান্ধব সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিজস্ব অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। দেশের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে জামায়াতের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব ধর্মের মানুষের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা রক্ষা করবেন এবং তাঁদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।
জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব উদ্যাপন করে আসছেন।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা যেন সবাই পূর্ণ স্বস্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপন করতে পারেন, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীত ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাতে এবারও নির্বিঘ্নে তাঁদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।
দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কার্যকর ও সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, উৎসবের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিক নিরাপদে উৎসবে অংশ নিতে পারেন।
বিবৃতিতে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করা এবং সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন