নেত্রকোনা প্রতিনিধি | জনতার প্রেস
নেত্রকোনায় শিশুদের পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে সাঁতার শেখার গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও সাঁতার প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ‘নেত্রকোনা সচেতন নাগরিক’-এর উদ্যোগে শহরের মোক্তারপাড়া ডিসি বাংলোর সামনের পুকুরপাড়ের বকুলতলায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‘পানিতে ডুবে মৃত্যু নয়, সাঁতার শিখি জীবন বাঁচাই’ স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাঁতার প্রশিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নুরু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, সাবেক প্রেসক্লাব সম্পাদক শ্যামলেন্দু পাল, প্রেসক্লাব সম্পাদক মাহাবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, সাঁতার প্রশিক্ষক মো. মুখলেছুর রহমান, এবিএম জুলহাস মান্নান ও খেলাফত আন্দোলনের গাজী আব্দুর রহিম।
কর্মসূচিতে সাঁতার প্রশিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা লিজ দেওয়া সরকারি পুকুরটির লিজ বাতিল করে সাঁতার শেখার উপযোগী পরিবেশে সবার জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান। পাশাপাশি পুকুরপাড়ে পোশাক পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখারও অনুরোধ করেন তাঁরা।
তাঁদের অভিযোগ, পুকুরের পানি অত্যন্ত নোংরা। মাছের খাবার দেওয়ার কারণেও পানির মান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অন্য কোথাও সাঁতার শেখার সুযোগ না পেয়ে যাঁরা এই পুকুরে অনুশীলন করেন, তাঁরা পানির দূষণ ও চর্মরোগের সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
স্থানীয়দের মতে, শিশুদের সাঁতার শেখার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুকুরটির পানি পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত পরিচর্যা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সাঁতার প্রশিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, শিশুদের পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে সাঁতার শেখার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সাঁতার শেখায় শিশুদের উৎসাহিত করতে প্রশিক্ষণরত শিশুদের মধ্যে সাঁতারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের সাঁতার শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং পানিতে ডুবে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোনা প্রতিনিধি | জনতার প্রেস
নেত্রকোনায় শিশুদের পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে সাঁতার শেখার গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও সাঁতার প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ‘নেত্রকোনা সচেতন নাগরিক’-এর উদ্যোগে শহরের মোক্তারপাড়া ডিসি বাংলোর সামনের পুকুরপাড়ের বকুলতলায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‘পানিতে ডুবে মৃত্যু নয়, সাঁতার শিখি জীবন বাঁচাই’ স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাঁতার প্রশিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নুরু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, সাবেক প্রেসক্লাব সম্পাদক শ্যামলেন্দু পাল, প্রেসক্লাব সম্পাদক মাহাবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, সাঁতার প্রশিক্ষক মো. মুখলেছুর রহমান, এবিএম জুলহাস মান্নান ও খেলাফত আন্দোলনের গাজী আব্দুর রহিম।
কর্মসূচিতে সাঁতার প্রশিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা লিজ দেওয়া সরকারি পুকুরটির লিজ বাতিল করে সাঁতার শেখার উপযোগী পরিবেশে সবার জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান। পাশাপাশি পুকুরপাড়ে পোশাক পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখারও অনুরোধ করেন তাঁরা।
তাঁদের অভিযোগ, পুকুরের পানি অত্যন্ত নোংরা। মাছের খাবার দেওয়ার কারণেও পানির মান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অন্য কোথাও সাঁতার শেখার সুযোগ না পেয়ে যাঁরা এই পুকুরে অনুশীলন করেন, তাঁরা পানির দূষণ ও চর্মরোগের সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
স্থানীয়দের মতে, শিশুদের সাঁতার শেখার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুকুরটির পানি পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত পরিচর্যা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সাঁতার প্রশিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, শিশুদের পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে সাঁতার শেখার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সাঁতার শেখায় শিশুদের উৎসাহিত করতে প্রশিক্ষণরত শিশুদের মধ্যে সাঁতারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের সাঁতার শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং পানিতে ডুবে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন