জনতার প্রেস

মূল পাতা

সারাদেশ

রিমান্ড শুনানিতে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশে বাধা, আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
রিমান্ড শুনানিতে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশে বাধা, আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড
শুনানি শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ঢাকার আদালত থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

জনতার প্রেস ডেস্ক | ঢাকা

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান রঞ্জনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালতে রিমান্ড শুনানির সময় সাংবাদিকদের আদালতকক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আপত্তি জানান। তবে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, সাংবাদিকদের আদালতকক্ষে না রাখার সিদ্ধান্ত প্রসিকিউশন বিভাগের পক্ষ থেকে নয়; শুনানির সময় আসামির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই আদালত সবাইকে বের হয়ে যেতে বলেন।

আদালতে প্রবেশে বাধা

শনিবার দুপুরে আখতারুজ্জামানকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের অষ্টম তলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালতে হাজির করা হয়।

তাকে আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত হন। তবে নিচতলা থেকে সাংবাদিকদের আদালতের দিকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। পরে আদালতের সামনে পৌঁছালেও এজলাসের প্রবেশপথে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাঁদের আটকে দেন।

দায়িত্বরত এক উপপরিদর্শকের কাছে বাধার কারণ জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহীউদ্দিন মাহমুদ সোহেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রিমান্ডের পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ, জামিন চাইলেন আসামিপক্ষ

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আখতারুজ্জামানকে রিমান্ডে নেওয়ার পক্ষে যুক্তি দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।

শুনানির একপর্যায়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য দেন আখতারুজ্জামান। পরে আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুনানি শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে আদালত থেকে বের করে নেওয়া হয়।

‘

সাংবাদিকদের ঢুকতে না দেওয়া নিন্দনীয়’

সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশ করতে না দেওয়ার ঘটনায় আপত্তি জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশ করতে না দেওয়া নিন্দনীয়। কিছু গোপন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল কি না, সেটাও আমি জানি না। ভবিষ্যতে যেন এভাবে না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

তিনি আরও বলেন, শুনানিতে আখতারুজ্জামান বক্তব্য দিয়েছেন। সাংবাদিকেরা উপস্থিত থাকলে বিষয়টি ভালো হতো।

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য

তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশের বিষয়ে প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার কোনো বাধা দেননি।

তাঁর ভাষ্য, শুনানির সময় আখতারুজ্জামান প্রসিকিউশন, বিচারক ও পুলিশের প্রতি ‘মারমুখী’ আচরণ করছিলেন। আইনজীবী ছাড়া অন্য কেউ যেন আদালতে না থাকেন—এমন বক্তব্যও তিনি দেন।

পরে তাঁর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই বিচারক সবাইকে আদালতকক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।

আদালত থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকের বক্তব্য

এজলাস থেকে বের হওয়ার পর স্টার নিউজের সাংবাদিক তসলিম হোসেন রনি বলেন, তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আদালতে এসে এজলাসে অবস্থান করছিলেন।

তাঁর দাবি, বেলা পৌনে ১টার দিকে আখতারুজ্জামানকে এজলাসে তোলার পর ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহীউদ্দিন মাহমুদ সোহেল তাঁকে বাইরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আদালতের আদেশের কথা জানানো হয় বলে দাবি করেন তিনি।

যে মামলায় গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার সকালে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের ওমরাহযাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে বিমানবন্দরে আখতারুজ্জামানের উচ্চবাচ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে উদ্দেশ করে আখতারুজ্জামানকে হুমকিসূচক বক্তব্য দিতে শোনা যায়।

এরপর শুক্রবার ভোরে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজীব।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাঁকে বিমানবন্দর থানায় নেওয়া হয়।

বিএনপি থেকে জামায়াতে

আখতারুজ্জামান রঞ্জন অবসরপ্রাপ্ত মেজর। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘মেজর রঞ্জন’ নামে পরিচিত।

এর আগে তিনি বিএনপির হয়ে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের কারণে বিএনপি তাঁকে তিন দফা বহিষ্কার করেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেন। ওই দিন তিনি দলটির ‘প্রাথমিক সহযোগী সদস্যের’ ফরম পূরণ করেন।

সূত্র: বিডিনিউজ২৪


আপনার মতামত লিখুন

রিমান্ড শুনানিতে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশে বাধা, আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


রিমান্ড শুনানিতে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশে বাধা, আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জনতার প্রেস ডেস্ক | ঢাকা

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান রঞ্জনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালতে রিমান্ড শুনানির সময় সাংবাদিকদের আদালতকক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আপত্তি জানান। তবে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, সাংবাদিকদের আদালতকক্ষে না রাখার সিদ্ধান্ত প্রসিকিউশন বিভাগের পক্ষ থেকে নয়; শুনানির সময় আসামির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই আদালত সবাইকে বের হয়ে যেতে বলেন।

আদালতে প্রবেশে বাধা

শনিবার দুপুরে আখতারুজ্জামানকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের অষ্টম তলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালতে হাজির করা হয়।

তাকে আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত হন। তবে নিচতলা থেকে সাংবাদিকদের আদালতের দিকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। পরে আদালতের সামনে পৌঁছালেও এজলাসের প্রবেশপথে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাঁদের আটকে দেন।

দায়িত্বরত এক উপপরিদর্শকের কাছে বাধার কারণ জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহীউদ্দিন মাহমুদ সোহেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রিমান্ডের পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ, জামিন চাইলেন আসামিপক্ষ

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আখতারুজ্জামানকে রিমান্ডে নেওয়ার পক্ষে যুক্তি দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।

শুনানির একপর্যায়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য দেন আখতারুজ্জামান। পরে আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুনানি শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে আদালত থেকে বের করে নেওয়া হয়।

‘

সাংবাদিকদের ঢুকতে না দেওয়া নিন্দনীয়’

সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশ করতে না দেওয়ার ঘটনায় আপত্তি জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশ করতে না দেওয়া নিন্দনীয়। কিছু গোপন করার জন্য সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল কি না, সেটাও আমি জানি না। ভবিষ্যতে যেন এভাবে না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

তিনি আরও বলেন, শুনানিতে আখতারুজ্জামান বক্তব্য দিয়েছেন। সাংবাদিকেরা উপস্থিত থাকলে বিষয়টি ভালো হতো।

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য

তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশের বিষয়ে প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার কোনো বাধা দেননি।

তাঁর ভাষ্য, শুনানির সময় আখতারুজ্জামান প্রসিকিউশন, বিচারক ও পুলিশের প্রতি ‘মারমুখী’ আচরণ করছিলেন। আইনজীবী ছাড়া অন্য কেউ যেন আদালতে না থাকেন—এমন বক্তব্যও তিনি দেন।

পরে তাঁর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই বিচারক সবাইকে আদালতকক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।

আদালত থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকের বক্তব্য

এজলাস থেকে বের হওয়ার পর স্টার নিউজের সাংবাদিক তসলিম হোসেন রনি বলেন, তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আদালতে এসে এজলাসে অবস্থান করছিলেন।

তাঁর দাবি, বেলা পৌনে ১টার দিকে আখতারুজ্জামানকে এজলাসে তোলার পর ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহীউদ্দিন মাহমুদ সোহেল তাঁকে বাইরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আদালতের আদেশের কথা জানানো হয় বলে দাবি করেন তিনি।

যে মামলায় গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার সকালে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের ওমরাহযাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে বিমানবন্দরে আখতারুজ্জামানের উচ্চবাচ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে উদ্দেশ করে আখতারুজ্জামানকে হুমকিসূচক বক্তব্য দিতে শোনা যায়।

এরপর শুক্রবার ভোরে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজীব।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাঁকে বিমানবন্দর থানায় নেওয়া হয়।

বিএনপি থেকে জামায়াতে

আখতারুজ্জামান রঞ্জন অবসরপ্রাপ্ত মেজর। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘মেজর রঞ্জন’ নামে পরিচিত।

এর আগে তিনি বিএনপির হয়ে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের কারণে বিএনপি তাঁকে তিন দফা বহিষ্কার করেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেন। ওই দিন তিনি দলটির ‘প্রাথমিক সহযোগী সদস্যের’ ফরম পূরণ করেন।

সূত্র: বিডিনিউজ২৪



জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস