জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর যাত্রীবাহী বাসের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ও পরিবহন মালিকদের বৈঠকে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা ভাড়া পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধির হার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) যাত্রীবাহী বাসের ভাড়া দূরপাল্লার পথে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।
বিআরটিএর বৈঠকে উপস্থিত সংশ্লিষ্টরা জানান, দূরপাল্লার পথে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্যদিকে রাজধানীসহ অন্যান্য শহর এলাকায় প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, ভাড়া কতটা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এরপর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন ভাড়া কার্যকর করা হবে।
পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে নতুন ভাড়ার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
এর আগে গত এপ্রিলে ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানো হলে বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল।
বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৫৩ পয়সা। মিনিবাসের ক্ষেত্রে এ ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা।
অন্যদিকে দূরপাল্লার পথে ৫২ আসনের বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ২৩ পয়সা। তবে অনেক নন-এসি দূরপাল্লার বাসে যাত্রীদের তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্য দিতে আসন সংখ্যা কমিয়ে ৪০ বা তারও কম করা হয়েছে। এসব বাসের ভাড়া তুলনামূলক বেশি।
এর সঙ্গে বিভিন্ন সেতু ও সড়কের টোলও যাত্রীভাড়ার সঙ্গে যুক্ত হয়। ফলে নতুন করে ভাড়া বাড়ানো হলে দূরপাল্লার যাত্রীদের পরিশোধ করতে হবে আরও বেশি।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর পরিবহন মালিকরা বাসভাড়া সমন্বয়ের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিএ ভাড়া পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়।
মন্ত্রণালয় ও পরিবহন মালিকদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনে নির্ধারিত হারে ভাড়া বাড়ানোর পর নতুন ভাড়ার তালিকা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। তবে কার্যকর ভাড়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সরকারি নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বর্তমান নির্ধারিত ভাড়াই বহাল থাকবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর যাত্রীবাহী বাসের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ও পরিবহন মালিকদের বৈঠকে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা ভাড়া পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধির হার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) যাত্রীবাহী বাসের ভাড়া দূরপাল্লার পথে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।
বিআরটিএর বৈঠকে উপস্থিত সংশ্লিষ্টরা জানান, দূরপাল্লার পথে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্যদিকে রাজধানীসহ অন্যান্য শহর এলাকায় প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, ভাড়া কতটা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এরপর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন ভাড়া কার্যকর করা হবে।
পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে নতুন ভাড়ার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
এর আগে গত এপ্রিলে ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানো হলে বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল।
বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৫৩ পয়সা। মিনিবাসের ক্ষেত্রে এ ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা।
অন্যদিকে দূরপাল্লার পথে ৫২ আসনের বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ২৩ পয়সা। তবে অনেক নন-এসি দূরপাল্লার বাসে যাত্রীদের তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্য দিতে আসন সংখ্যা কমিয়ে ৪০ বা তারও কম করা হয়েছে। এসব বাসের ভাড়া তুলনামূলক বেশি।
এর সঙ্গে বিভিন্ন সেতু ও সড়কের টোলও যাত্রীভাড়ার সঙ্গে যুক্ত হয়। ফলে নতুন করে ভাড়া বাড়ানো হলে দূরপাল্লার যাত্রীদের পরিশোধ করতে হবে আরও বেশি।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর পরিবহন মালিকরা বাসভাড়া সমন্বয়ের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিআরটিএ ভাড়া পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়।
মন্ত্রণালয় ও পরিবহন মালিকদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনে নির্ধারিত হারে ভাড়া বাড়ানোর পর নতুন ভাড়ার তালিকা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। তবে কার্যকর ভাড়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সরকারি নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বর্তমান নির্ধারিত ভাড়াই বহাল থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন