জনতার প্রেস

মূল পাতা

সারাদেশ

পদ্মার চরে ‘ট্রে’ পদ্ধতিতে উৎপাদিত হচ্ছে সবজির চারা

শাহীন
শাহীন
প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পদ্মার চরে ‘ট্রে’ পদ্ধতিতে উৎপাদিত হচ্ছে সবজির চারা
লালপুরে পদ্মার চরে আধুনিক ‘ট্রে’ পদ্ধতিতে সবজির চারা উৎপাদন।

নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের পদ্মার চরে পলিশেড হাউসে আধুনিক প্রযুক্তিতে ‘ট্রে’ পদ্ধতিতে উন্নতমানের বিভিন্ন প্রজাতির সবজির চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। বছরব্যাপী উৎপাদিত এসব চারার মধ্যে রয়েছে ফুলকপি, টমেটো, বেগুন, মরিচসহ বিভিন্ন উচ্চমূল্যের সবজি।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পলিশেড হাউসটি পরিদর্শন করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপপ্রকল্প পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড়, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সরকার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপকারভোগী কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’–এর আওতায় ২০০ বর্গমিটার আয়তনের পলিশেড হাউসটি স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে আধুনিক ট্রে পদ্ধতিতে বছরব্যাপী বিভিন্ন উচ্চমূল্যের সবজির চারা উৎপাদন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে রোগমুক্ত ও সবল চারা উৎপাদনের পাশাপাশি বৈরী আবহাওয়া থেকেও চারাগুলো সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে উপসচিব চরাঞ্চলে নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চারা উৎপাদনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ জিয়াউর রহমান বলেন, উপকারভোগী কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা যাতে শেড হাউসে আধুনিক প্রযুক্তিতে চারা উৎপাদনের মাধ্যমে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন, সে জন্য প্রকল্পের আওতায় ৫০০টি ট্রে, ৩০০ কেজি কোকোডাস্টসহ পলিশেড হাউস নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

উপকারভোগী কৃষক মো. মাইনুল ইসলাম ও মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘এই শেড হাউসে চারা উৎপাদন করে প্রকল্পের আওতায় কৃষক গ্রুপের অন্য কৃষকদের কাছে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করছি। এ ছাড়া উৎপাদিত চারা উৎপাদন খরচের প্রায় দ্বিগুণ দামে বাজারে বিক্রি করতে পারছি।’

রাজশাহী বিভাগ নাটোর কৃষি মন্ত্রণালয় সবজি

আপনার মতামত লিখুন

পদ্মার চরে ‘ট্রে’ পদ্ধতিতে উৎপাদিত হচ্ছে সবজির চারা
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


পদ্মার চরে ‘ট্রে’ পদ্ধতিতে উৎপাদিত হচ্ছে সবজির চারা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের পদ্মার চরে পলিশেড হাউসে আধুনিক প্রযুক্তিতে ‘ট্রে’ পদ্ধতিতে উন্নতমানের বিভিন্ন প্রজাতির সবজির চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। বছরব্যাপী উৎপাদিত এসব চারার মধ্যে রয়েছে ফুলকপি, টমেটো, বেগুন, মরিচসহ বিভিন্ন উচ্চমূল্যের সবজি।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পলিশেড হাউসটি পরিদর্শন করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপপ্রকল্প পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড়, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সরকার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপকারভোগী কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’–এর আওতায় ২০০ বর্গমিটার আয়তনের পলিশেড হাউসটি স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে আধুনিক ট্রে পদ্ধতিতে বছরব্যাপী বিভিন্ন উচ্চমূল্যের সবজির চারা উৎপাদন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে রোগমুক্ত ও সবল চারা উৎপাদনের পাশাপাশি বৈরী আবহাওয়া থেকেও চারাগুলো সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে উপসচিব চরাঞ্চলে নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চারা উৎপাদনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ জিয়াউর রহমান বলেন, উপকারভোগী কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা যাতে শেড হাউসে আধুনিক প্রযুক্তিতে চারা উৎপাদনের মাধ্যমে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন, সে জন্য প্রকল্পের আওতায় ৫০০টি ট্রে, ৩০০ কেজি কোকোডাস্টসহ পলিশেড হাউস নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

উপকারভোগী কৃষক মো. মাইনুল ইসলাম ও মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘এই শেড হাউসে চারা উৎপাদন করে প্রকল্পের আওতায় কৃষক গ্রুপের অন্য কৃষকদের কাছে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করছি। এ ছাড়া উৎপাদিত চারা উৎপাদন খরচের প্রায় দ্বিগুণ দামে বাজারে বিক্রি করতে পারছি।’


জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস