বগুড়ার ধুনটে বিয়ের কথা বলে প্রেমিকাকে নিজ বাড়িতে ডেকে এনে এক সৌদি আরবপ্রবাসী যুবক উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারী গত তিন দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন।ঙঙঙ
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামে সুমন মিয়া (৩৫) নামে ওই প্রবাসীর বাড়িতে অবস্থান করছেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমন মিয়া বেড়েরবাড়ি গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। আর ওই নারী সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের বাসিন্দা।
ওই নারীর অভিযোগ, ২০১৮ সালে সৌদি আরবে অবস্থানকালে ফেসবুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাসে দুজনই সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। দেশে ফেরার পর তারা বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে সময় কাটান।
ওই নারী দাবি করেন, একপর্যায়ে সুমন কৌশলে তাকে দেশে রেখে আবার সৌদি আরবে চলে যান। তবে সৌদি আরবে যাওয়ার পরও তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। চলতি মাসে সুমন আবার ছুটিতে দেশে এলেও বিষয়টি তাকে জানাননি। পরে অন্যদের মাধ্যমে সুমনের দেশে ফেরার খবর জানতে পেরে তিনি তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরে সুমন বিয়ের কথা বলে গত ১৬ আগস্ট তাকে নিজের বাড়িতে আসতে বলেন। তাঁর কথামতো ওই নারী বেড়েরবাড়ি গ্রামে সুমনের বাড়িতে গেলে দুপুর ১২টার দিকে সুমন কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। তিনি বাড়িতেও ফেরেননি।
এদিকে বিয়ের দাবিতে ওই নারী সুমনের বাড়িতেই অবস্থান করছেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি জানাজানি হলে সেখানে লোকজনের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফেরদৌস আলম বলেন, বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশের পরামর্শে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করেন। তবে সুমন ও তার পরিবারের কোনো সদস্যকে না পাওয়ায় বিষয়টির সমাধান করা সম্ভব হয়নি।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই নারীকে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে তিনি এখনো থানায় আসেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে সুমন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তিনি বাড়িতেও না থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরিবারের সদস্যরাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
বগুড়ার ধুনটে বিয়ের কথা বলে প্রেমিকাকে নিজ বাড়িতে ডেকে এনে এক সৌদি আরবপ্রবাসী যুবক উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারী গত তিন দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন।ঙঙঙ
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামে সুমন মিয়া (৩৫) নামে ওই প্রবাসীর বাড়িতে অবস্থান করছেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমন মিয়া বেড়েরবাড়ি গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। আর ওই নারী সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের বাসিন্দা।
ওই নারীর অভিযোগ, ২০১৮ সালে সৌদি আরবে অবস্থানকালে ফেসবুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাসে দুজনই সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। দেশে ফেরার পর তারা বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে সময় কাটান।
ওই নারী দাবি করেন, একপর্যায়ে সুমন কৌশলে তাকে দেশে রেখে আবার সৌদি আরবে চলে যান। তবে সৌদি আরবে যাওয়ার পরও তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। চলতি মাসে সুমন আবার ছুটিতে দেশে এলেও বিষয়টি তাকে জানাননি। পরে অন্যদের মাধ্যমে সুমনের দেশে ফেরার খবর জানতে পেরে তিনি তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরে সুমন বিয়ের কথা বলে গত ১৬ আগস্ট তাকে নিজের বাড়িতে আসতে বলেন। তাঁর কথামতো ওই নারী বেড়েরবাড়ি গ্রামে সুমনের বাড়িতে গেলে দুপুর ১২টার দিকে সুমন কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। তিনি বাড়িতেও ফেরেননি।
এদিকে বিয়ের দাবিতে ওই নারী সুমনের বাড়িতেই অবস্থান করছেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি জানাজানি হলে সেখানে লোকজনের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফেরদৌস আলম বলেন, বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশের পরামর্শে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করেন। তবে সুমন ও তার পরিবারের কোনো সদস্যকে না পাওয়ায় বিষয়টির সমাধান করা সম্ভব হয়নি।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই নারীকে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে তিনি এখনো থানায় আসেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে সুমন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তিনি বাড়িতেও না থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরিবারের সদস্যরাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন