হবিগঞ্জের লাখাইয়ে প্রেমিকের কাছ থেকে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তার বাড়িতে অনশনে বসেছেন এক তরুণী। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের মুড়িয়াউক গ্রামে প্রেমিক রায়হান উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে অনশনে বসেন তিনি।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকেও ওই তরুণীকে রায়হানের বাড়িতে অবস্থান করতে দেখা যায়।
অনশনরত তরুণী উপজেলার করাব ইউনিয়নের সিংহগ্রামের বাসিন্দা। তার দাবি, প্রায় দুই বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রায়হান উদ্দিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তরুণীর অভিযোগ, সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর রায়হান তাকে বিয়ে করে সংসার করার আশ্বাস দেন। একপর্যায়ে রায়হান তাকে ঢাকার চানখারপুল এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় এক সপ্তাহ অবস্থান করেন। পরে রায়হান তাকে ঢাকার একটি সড়কে রেখে চলে যান বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।
এরপর নানা দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে তিনি রায়হানের বাড়িতে চলে আসেন। বিয়ে করে স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ি থেকে যাবেন না বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরে আলম বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে তরুণী রায়হানের বাড়িতে এসে অনশনে বসেন। শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টা পর্যন্তও তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও রায়হানের পরিবারের পক্ষ থেকে সম্মতি না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি বৃহস্পতিবার পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তরুণীর পরিবারের সদস্যদেরও খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে বিষয়টি নিয়ে থানায় যাওয়ার কথা রয়েছে।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে স্থানীয় একজন ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
তবে তরুণীর অভিযোগের বিষয়ে রায়হান উদ্দিন বা তার পরিবারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে প্রেমিকের কাছ থেকে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তার বাড়িতে অনশনে বসেছেন এক তরুণী। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের মুড়িয়াউক গ্রামে প্রেমিক রায়হান উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে অনশনে বসেন তিনি।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকেও ওই তরুণীকে রায়হানের বাড়িতে অবস্থান করতে দেখা যায়।
অনশনরত তরুণী উপজেলার করাব ইউনিয়নের সিংহগ্রামের বাসিন্দা। তার দাবি, প্রায় দুই বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রায়হান উদ্দিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তরুণীর অভিযোগ, সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর রায়হান তাকে বিয়ে করে সংসার করার আশ্বাস দেন। একপর্যায়ে রায়হান তাকে ঢাকার চানখারপুল এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় এক সপ্তাহ অবস্থান করেন। পরে রায়হান তাকে ঢাকার একটি সড়কে রেখে চলে যান বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।
এরপর নানা দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে তিনি রায়হানের বাড়িতে চলে আসেন। বিয়ে করে স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ি থেকে যাবেন না বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরে আলম বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে তরুণী রায়হানের বাড়িতে এসে অনশনে বসেন। শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টা পর্যন্তও তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও রায়হানের পরিবারের পক্ষ থেকে সম্মতি না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি বৃহস্পতিবার পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তরুণীর পরিবারের সদস্যদেরও খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে বিষয়টি নিয়ে থানায় যাওয়ার কথা রয়েছে।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে স্থানীয় একজন ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
তবে তরুণীর অভিযোগের বিষয়ে রায়হান উদ্দিন বা তার পরিবারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন