প্রকল্পের বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূল লক্ষ্য অর্জনের চেয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পেছনেই বরাদ্দের সিংহভাগ ব্যয় হয়ে যাবে। পরোক্ষ খরচই এখানে মূল খরচের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
|
ব্যয়ের খাত |
বরাদ্দের পরিমাণ (টাকা) |
মোট বাজেটের শতাংশ |
|---|---|---|
|
প্রকৃত অভাবী মানুষের অনুদান |
৮ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার |
১৩.২৩% |
|
পরামর্শক ও প্রশাসনিক বিলাসিতা |
৫৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৪ হাজার |
৮৬.৭৭% |
|
মোট বাজেট |
৬১ কোটি ২৯ লাখ ৬৪ হাজার |
১০০% |
তিন জেলার মাত্র ৩০০ জন দরিদ্র মানুষের (২৭০ জন নারী ও ৩০ জন প্রতিবন্ধী) ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ তৈরির জন্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ৪৭৩ জন দেশি-বিদেশি পরামর্শক। এই পরামর্শকদের পেছনেই ব্যয় হবে ২৯ কোটি ৬২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা, যা মোট বাজেটের ৪৮.৩৩ শতাংশ।
সরকারের পক্ষ থেকে কৃচ্ছ্রসাধন এবং বৈদেশিক ভ্রমণে কঠোর নিষেধাড়জ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণের নামে ৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা খরচের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের জন্য রাখা হয়েছে আরও ১ কোটি ২৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় এই ব্যয় কাঠামো নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উচ্চ পরামর্শক ব্যয় এবং অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক খরচ যাচাই-বাছাই করে তা কমানোর নির্দেশ দেওয়া হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন:
"প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য সুবিধাভোগীদের ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য আর্থিক সুবিধা দেওয়া। অথচ অন্যান্য খাতে বাজেটের সিংহভাগ খরচের প্রস্তাব করা হয়েছে। পিইসি সভায় এই প্রকল্পের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হবে এবং যেসব খাতে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে সেগুলো কমাতে বলা হবে।"
বিশ্লেষকদের মতে, এসডিজি (SDG) অর্জনের দোহাই দিয়ে নেওয়া এই প্রকল্পের ব্যয় কাঠামো সংশোধন না করলে এটি কেবল সরকারি অর্থের অপচয় হিসেবেই গণ্য হবে এবং প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হবে না।
ব্যয়ের এই অস্বাভাবিকতার বিষয়ে দায় নিতে নারাজ সমাজসেবা অধিদপ্তর। তাদের দাবি, এটি একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প যা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে এসেছে এবং দাতা সংস্থা জিআইজেড (GIZ) নিজেই এই প্রস্তাবনা তৈরি করেছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিশাখা) মো. সাজ্জাদুল ইসলাম জানান:

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকল্পের বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূল লক্ষ্য অর্জনের চেয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পেছনেই বরাদ্দের সিংহভাগ ব্যয় হয়ে যাবে। পরোক্ষ খরচই এখানে মূল খরচের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
|
ব্যয়ের খাত |
বরাদ্দের পরিমাণ (টাকা) |
মোট বাজেটের শতাংশ |
|---|---|---|
|
প্রকৃত অভাবী মানুষের অনুদান |
৮ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার |
১৩.২৩% |
|
পরামর্শক ও প্রশাসনিক বিলাসিতা |
৫৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৪ হাজার |
৮৬.৭৭% |
|
মোট বাজেট |
৬১ কোটি ২৯ লাখ ৬৪ হাজার |
১০০% |
তিন জেলার মাত্র ৩০০ জন দরিদ্র মানুষের (২৭০ জন নারী ও ৩০ জন প্রতিবন্ধী) ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ তৈরির জন্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ৪৭৩ জন দেশি-বিদেশি পরামর্শক। এই পরামর্শকদের পেছনেই ব্যয় হবে ২৯ কোটি ৬২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা, যা মোট বাজেটের ৪৮.৩৩ শতাংশ।
সরকারের পক্ষ থেকে কৃচ্ছ্রসাধন এবং বৈদেশিক ভ্রমণে কঠোর নিষেধাড়জ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণের নামে ৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা খরচের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের জন্য রাখা হয়েছে আরও ১ কোটি ২৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় এই ব্যয় কাঠামো নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উচ্চ পরামর্শক ব্যয় এবং অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক খরচ যাচাই-বাছাই করে তা কমানোর নির্দেশ দেওয়া হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন:
"প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য সুবিধাভোগীদের ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য আর্থিক সুবিধা দেওয়া। অথচ অন্যান্য খাতে বাজেটের সিংহভাগ খরচের প্রস্তাব করা হয়েছে। পিইসি সভায় এই প্রকল্পের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হবে এবং যেসব খাতে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে সেগুলো কমাতে বলা হবে।"
বিশ্লেষকদের মতে, এসডিজি (SDG) অর্জনের দোহাই দিয়ে নেওয়া এই প্রকল্পের ব্যয় কাঠামো সংশোধন না করলে এটি কেবল সরকারি অর্থের অপচয় হিসেবেই গণ্য হবে এবং প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হবে না।
ব্যয়ের এই অস্বাভাবিকতার বিষয়ে দায় নিতে নারাজ সমাজসেবা অধিদপ্তর। তাদের দাবি, এটি একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প যা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে এসেছে এবং দাতা সংস্থা জিআইজেড (GIZ) নিজেই এই প্রস্তাবনা তৈরি করেছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিশাখা) মো. সাজ্জাদুল ইসলাম জানান:

আপনার মতামত লিখুন