এক মাসের ছাত্র আন্দোলনের আঘাতে ভূপাতিত ১৪ বছরের শক্তিশালী ভুচিচ
এটি কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, এটি ২০১২ সাল থেকে সার্বিয়াকে সংজ্ঞায়িত করা একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার পতন। সার্বিয়ার সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল দেশটির আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় রাজনৈতিক মোড় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
'স্টুডেন্ট লিস্ট' বিপুল সমর্থনে নিরঙ্কুশ জয় নিশ্চিত করেছে। ২৫০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪০টি আসন জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারা। অন্যদিকে, এতদিন দেশের আধিপত্যশীল রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে থাকা সার্বিয়ান প্রোগ্রেসিভ পার্টি (এসএনএস) পেয়েছে ১০৪টি আসন। এর মাধ্যমে টানা প্রায় ১৪ বছর পর দলটি বিরোধীদের আসনে বসতে যাচ্ছে।
যে সার্বিয়ান প্রোগ্রেসিভ পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকে আলেকসান্দার ভুচিচ ও তার রাজনৈতিক ব্লক সার্বিয়ার রাজনৈতিক জীবনে প্রায় সম্পূর্ণ একক কর্তৃত্ব বজায় রেখেছিল, তাদের জন্য এটি বড় এক ধাক্কা। এসএনএস কেবল নির্বাহী বিভাগ নিয়ন্ত্রণই করেনি বরং বড় সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা, স্থানীয় রাজনীতিতে আধিপত্য এবং রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক জোটের এক বিশাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ঐতিহ্যবাহী বিরোধী দলগুলো বারবার সেই আধিপত্য ভাঙার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিল।
তবে এই রাজনৈতিক ভূমিকম্পের মূল বিষয় হলো, ঐতিহ্যবাহী কোনো বিরোধী দলের হাতে এসএনএসের পরাজয় ঘটেনি। তারা পরাজিত হয়েছে শিক্ষার্থীদের কাছে। মাসব্যাপী চলতে থাকা ছাত্র বিক্ষোভ থেকে জন্ম নেওয়া একটি আন্দোলন থেকে 'স্টুডেন্ট লিস্ট' দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। রাজপথের সামাজিক ক্ষোভকে তারা বদলে দিয়েছে নির্বাচনী বৈধতায়। আর এর মাধ্যমেই সার্বিয়ার প্রথাগত বিরোধী দলগুলো এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যা করতে পারেনি, সেই কাজ সম্পন্ন করে আলেকসান্দার ভুচিচের রাজনৈতিক একচেটিয়া ক্ষমতার সরাসরি অবসান ঘটিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
তাই এই ফলাফলকে একই সাথে এসএনএসের ১৪ বছরের শাসনের ওপর একটি গণভোট হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ভোটারদের একটি বড় অংশ কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীর দল বা নির্দিষ্ট কর্মসূচির জন্য ভোট দেননি; তারা ভোট দিয়েছেন শাসনের এমন একটি মডেলের বিরুদ্ধে, যা ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতি, ক্ষমতার চরম কেন্দ্রীকরণ, প্রতিষ্ঠান ও মিডিয়ার ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ এবং গভীর সামাজিক মেরুকরণের সমার্থক হয়ে উঠেছিল। প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের দাবি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক পরিবর্তনের বড় বৈচিত্র্যময় ক্ষোভগুলোকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসতে সফল হয়েছে এই ছাত্র আন্দোলন।
নির্বাচনে তিন শতাংশের নূন্যতম সীমা কোনো ছোট দল অতিক্রম করতে না পারায় এই ফলাফল আরও নাটকীয় রূপ নিয়েছে। সার্বিয়ার ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দৃশ্যপট মূলত দুটি প্রধান শক্তির মধ্যে বিভক্ত হয়ে বিলীন হয়ে গেছে; একদিকে স্টুডেন্ট লিস্ট, অন্যদিকে এসএনএস। এতদিন ধরে পার্লামেন্টে স্থান পাওয়া দলগুলো যেন আইনসভা থেকে মুছে গেছে। একই সঙ্গে স্টুডেন্ট লিস্ট কেবল একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবেই আবির্ভূত হয়নি বরং একাই সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আসন নিশ্চিত করেছে।
এর পাশাপশি সার্বিয়ার জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর মধ্য থেকেও বড় পরিবর্তনের সংকেত এসেছে। প্রায় দেড় দশক ধরে বেশিরভাগ সংখ্যালঘু রাজনৈতিক দল ছিল আলেকসান্দার ভুচিচের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র। এর একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল আলবেনিয়ান রাজনৈতিক ব্লক, যারা কখনোই ভুচিচের শাসক জোটে যোগ দেয়নি। কিন্তু এবারের নির্বাচন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সমীকরণও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
এসএনএসের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোগী 'অ্যালায়েন্স অফ ভয়েভোডিনা হাঙ্গেরিয়ানস (এসভিএম) সম্ভাব্য পাঁচটি আসনের মধ্যে মাত্র তিনটি জয় করতে পেরেছে। এটি কেবল সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়া নয়, বরং ভয়েভোডিনার হাঙ্গেরীয় সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক মনোভাবের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের দিকে নির্দেশ করে।
এর মাধ্যমে স্পষ্ট যে, হাঙ্গেরীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ ভুচিচের দীর্ঘদিনের মিত্রের বদলে স্টুডেন্ট লিস্টকে সমর্থন করেছে। একই ধরণের সংকেত এসেছে বসনিয়াক সম্প্রদায় থেকেও। মাত্র দুজন বসনিয়াক প্রতিনিধি সংসদে প্রবেশ করবেন; যার একজন আগে ভুচিচের সাথে সহযোগিতা করেছিলেন এবং অন্যজন ঐতিহ্যগতভাবেই বিরোধীদলে রয়ে গেছেন। অর্থাৎ, আনুগত্যের আগের প্যাটার্ন এখানেও ভেঙে পড়েছে। অন্যদিকে নতুন সংসদে আলবেনীয় জোটের দুজন প্রতিনিধি থাকবেন, যারা কখনোই ভুচিচের সরকারের সাথে হাত মেলাননি।
ফলে বলা যায়, রাজনৈতিক জোটের পুরনো ব্যবস্থা মৌলিকভাবেই দুর্বল হয়ে পড়েছে। বছরের পর বছর ধরে ভুচিচের রাজনৈতিক ব্যবস্থা আংশিকভাবে এসএনএসের চারপাশে গড়ে তোলা এক বিশাল মিত্র নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করত; সংখ্যালঘু দল থেকে শুরু করে ছোট জোট শরিক পর্যন্ত। সেই নেটওয়ার্ক এখন হয় বিলুপ্ত হয়ে গেছে, না হয় সর্বনিম্নে নেমে এসেছে।
রাজনৈতিক এই পরিবর্তনের মাত্রা প্রতিফলিত হয়েছে প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াগুলোতেও। ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান আন্তোনিও কস্তা, ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লেইন এবং ইউরোপীয় সম্প্রসারণ কমিশনার মার্তা কোস সহ বেশ কয়েকজন ইউরোপীয় শীর্ষ নেতার কাছ থেকে অভিনন্দন বার্তা পেয়েছে স্টুডেন্ট লিস্ট। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগিয়ারসহ অন্যান্য ইউরোপীয় রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে জানানো হয়েছে শুভকামনা।
এই প্রতিক্রিয়াগুলোর গুরুত্ব অনেক। বছরের পর বছর ধরে ব্রাসেলস সার্বিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে আইনের শাসন, প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা, নির্বাচনের পরিবেশ এবং সরকার, বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করে আসছে। ফলে ইউরোপীয় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের এই জয়ী দলকে দেওয়া অভিনন্দন একটি বড় সংকেত বহন করে যে, স্টুডেন্ট লিস্টের এই বিজয়কে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে সার্বিয়ার সম্পর্কের একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষ করে পিটার ম্যাগিয়ারের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত প্রতিকী। কারণ চলতি বছরের এপ্রিলে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া ভিক্টর ওরবানের অধীনে হাঙ্গেরি ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরে আলেকসান্দার ভুচিচের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্রদের একটি। তাই সার্বিয়ার এই নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা কেবল বুদাপেস্টের সাথে বেলগ্রেডের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয় বরং সামগ্রিক আঞ্চলিক রাজনৈতিক ভারসাম্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এই নির্বাচনের ফলাফল কেবল সার্বিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয় হয়ে থাকেনি; এটি একটি স্পষ্ট ইউরোপীয় মাত্রা লাভ করেছে।
অন্যদিকে, ফলাফলের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আলেকসান্দার ভুচিচ নিজেই সরকার পরিবর্তনের সম্ভাব্য গভীর ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিণতি নিয়ে সতর্ক করেছেন। ভুচিচ বলেছেন যে, তিনি আশা করছেন নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনে সার্বিয়া রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। কারণ এত দিন ইইউ সদস্যপদ অর্জনের চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি মস্কোর সাথে ঘনিষ্ট রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রক্ষা করে আসা সার্বিয়ার জন্য এমন পদক্ষেপ হবে একটি বড় বৈদেশিক নীতিগত রূপান্তর।
বিদায়ী এই প্রেসিডেন্ট আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, নির্বাচনের এই ফলাফল বিনিয়োগকারীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা পাঠাতে পারে। তার সময়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা ভুচিচের অর্থনৈতিক নীতির অন্যতম মূল স্তম্ভ ছিল। ক্ষমতায় থাকাকালীন তার সরকার সার্বিয়াকে বিদেশী কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি স্থিতিশীল এবং আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করেছে। ফলে একেবারে নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে যাওয়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক নীতি, প্রবিধান এবং সার্বিয়ার ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতির অভিমুখ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনে প্রশ্ন তুলতে পারে। একই সাথে স্টুডেন্ট লিস্ট এমন একটি অর্থনীতিকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাচ্ছে যা ইউরোপীয় বাজার এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ উভয়ের সাথেই গভীরভাবে সমন্বিত। ফলে রাজনৈতিক পরিবর্তন যে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এনে দেয় না, তা প্রমাণ করাই হবে নতুনদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
তবে স্টুডেন্ট লিস্টের পেছনের মানুষদের জন্য এই নির্বাচনের তাৎপর্য কেবল এক সরকারের জায়গায় অন্য সরকারকে স্থলাভিষিক্ত করার চেয়ে অনেক বেশি।
ইকোনমিক্স অনুষদের অধ্যাপক এবং স্টুডেন্ট লিস্টের অন্যতম পরিচিত মুখ দেজান শোসকিচ এই ফলাফলকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে বলেছেন যে, তিনি সেই ছাত্রদের জন্য গর্বিত যারা এই ঐতিহাসিক পরিস্থিতি এনে দিয়েছেন, যার মাধ্যমে সার্বিয়া মুক্ত হয়েছে এবং সার্বিয়ার আবার একটি গণতান্ত্রিক ও মুক্ত সমাজ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নির্বাচনী জয়ের ঘোষণার পর স্টুডেন্ট লিস্ট, স্টুডেন্টস আর উইনিং-এর প্রার্থী, শিক্ষাবিদ ও অধ্যাপক রাদোমির সাইচিচ বলেন, সার্বিয়ার নাগরিকরা তাদের সাহস ও পরিবর্তনের ইচ্ছা দেখিয়েছে। তবে বিজয়ের পরদিনই কঠিন কাজ এবং এক নতুন সার্বিয়া গড়ার মিশন শুরু হচ্ছে। কারণ একটি নির্বাচনে জেতা এক জিনিস, আর দেশ চালানো সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।
একটি প্রতিবাদ আন্দোলনকে কার্যকর রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার অনেক কঠিন কাজের মুখোমুখি এখন স্টুডেন্ট লিস্ট। তাদের সরকার গঠন করতে হবে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করতে হবে, নিজস্ব রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি করতে হবে এবং অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, ইউরোপীয় একত্রীকরণ প্রক্রিয়া, সামাজিক নীতি ও আইনের শাসনের ওপর নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। তাদের জয় ঐতিহাসিক, কিন্তু ঐতিহাসিক জয় প্রায়শই সবচেয়ে কঠিন পর্যায়ের সূচনা ঘটায়।
অন্যদিকে এসএনএসের জন্য এটি কেবল সরকার হারানোর চেয়েও বেশি কিছু। ২০১২ সালের পর প্রথমবারের মতো দলটিকে রাষ্ট্রযন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এবং নিজেদের ঘিরে সার্বিয়ার রাজনৈতিক জীবন পরিচালনা করার সুবিধা ছাড়াই কার্যক্রম চালাতে হবে। যখন তাদের হাতে আর প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকবে না এবং আলেকসান্দার ভুচিচ সরকারের কেন্দ্রে থাকবেন না, তখন একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে এসএনএস কতটা শক্তিশালী; সেটির প্রথম বাস্তব পরীক্ষা হবে এখন।
সামগ্রিক এই পরিবর্তনের রাজনৈতিক পরিণতি সংসদীয় অঙ্কের অনেক বাইরে বিস্তৃত হতে পারে। বহু বছর ধরে সার্বিয়ান রাজনীতি মূলত একটি একক বড় প্রশ্নকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হতো, তা হলো কোনো রাজনৈতিক শক্তি আদৌ ভুচিচকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে কি না। সেই উত্তর এখন পাওয়া গেছে। চ্যালেঞ্জ করা সম্ভব। আর যে শক্তিটি এটি করে দেখিয়েছে, তারা প্রতিষ্ঠিত কোনো বিরোধী দল নয় বরং একটি ছাত্র আন্দোলন যা এতদিন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে অবস্থান করছিল। সেটিই হলো এই নির্বাচনের আসল তাৎপর্য।
প্রথাগত বিরোধীরা সংসদ থেকে কার্যত অদৃশ্য হয়ে গেছে। ভুচিচের রাজনৈতিক সমর্থনে এতদিন থাকা সংখ্যালঘু দলগুলো প্রভাব হারিয়েছে। এবং প্রায় ১৪ বছরের নিরবচ্ছিন্ন আধিপত্যের পর বিরোধী দলের ভূমিকায় ঠেলে দেওয়া হয়েছে এসএনএস-কে।
সূত্র: ইউরো নিউজ
জনতার প্রেস--------