জনতার প্রেস

নানা পাটেকারকে নিয়ে তনুশ্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য, ‘যে চলে গেছে, সে চলে গেছে’

বিনোদন ডেস্ক | জনতার প্রেসভারতের #MeToo আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত মুখ অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। ২০০৮ সালে ‘হর্ন ওক প্লিজ’ চলচ্চিত্রের সেটে যৌন হয়রানি ও হুমকির অভিযোগ তুলে বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তিনি। এবার নানা পাটেকারের মৃত্যুসংবাদ ঘিরে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেছেন তনুশ্রী। তাঁর ভাষায়, ‘যে চলে গেছে, সে চলে গেছে।’এনডিটিভির (NDTV) প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, লখনউয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় নানা পাটেকারের মৃত্যুসংবাদ পান তনুশ্রী। সংবাদটি এমন সময়ে আসে, যখন গণমাধ্যম তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইবে বলে মনে করেছিলেন অভিনেত্রী।পরে লখনউয়ের ওই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তনুশ্রী বলেন, ‘আমার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। আজকের দিনটি আমার আয়োজকদের জন্য, তাঁদের অনুষ্ঠান সফল করার জন্য। এখন আমি আর কী-ই বা বলতে পারি? যে চলে গেছে, সে তো চলেই গেছে।’হয়রানি ও হুমকির অভিযোগ তনুশ্রীরসংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ার পর #MeToo আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তনুশ্রী দত্ত। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। মামলার কার্যক্রম চলাকালে একজন অভিযোগকারী হিসেবে তাঁকে যে মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তা বাইরে থেকে পুরোপুরি উপলব্ধি করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তনুশ্রীর দাবি, মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য তাঁকে বিভিন্ন ধরনের ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে এসব চাপের মুখেও তিনি মামলা প্রত্যাহার করেননি।মামলা বন্ধ হওয়া নিয়ে প্রশ্ননানা পাটেকারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তনুশ্রী দাবি করেন, ২০১৯ সালে পুলিশ তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিলেও সেটিকে আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য হিসেবে দেখা ঠিক নয়। তাঁর অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে মামলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।মামলার সাক্ষীদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগও করেন তনুশ্রী। তাঁর ভাষ্য, মামলার প্রধান সাক্ষীকে বক্তব্য দিতে রাজি করাতে প্রায় পাঁচ বছর সময় লেগেছিল। সাক্ষী ও তাঁর হেয়ারড্রেসারকে অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হতো এবং লোক পাঠিয়ে ভয় দেখানো হতো বলেও দাবি করেন তিনি।তনুশ্রী আরও বলেন, মামলায় তাঁর প্রধান সাক্ষীর হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, যেদিন ওই হলফনামা পেশ হওয়ার কথা ছিল, সেদিনই মামলাটি বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।নানা পাটেকারকে ‘অহংকারী’ আখ্যা দিয়ে তনুশ্রী বলেন, সত্য একদিন সামনে আসবেই। তাঁর অভিযোগ, নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে কথা বলার পরও তাঁকে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট ও হয়রানির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।তনুশ্রীর এসব বক্তব্য ও অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।সূত্র: এনডিটিভি (NDTV)

নানা পাটেকারকে নিয়ে তনুশ্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য, ‘যে চলে গেছে, সে চলে গেছে’