ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে কসবা উপজেলার কদমতলী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে কসবা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপনের নেতৃত্বে স্থানীয় আড়াইবাড়ি দরবার শরীফের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি স্থানীয় কদমতলী মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা চলছিল।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বিএনপির অপর একটি গ্রুপ কদমতলী এলাকায় এলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় উভয় পক্ষ। এ সময় পুরো কদমতলী এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।
কসবা থানার ওসি আলী মো. রাশেদ জানান, বিএনপির দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছামিউল ইসলাম জানান, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের কর্মসূচি ছিল। দুই পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের কথা বললেও পরে সংঘর্ষে জড়ায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
জনতার প্রেস | জনতার কথা, জনতার সংবাদ।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে কসবা উপজেলার কদমতলী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে কসবা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপনের নেতৃত্বে স্থানীয় আড়াইবাড়ি দরবার শরীফের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি স্থানীয় কদমতলী মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা চলছিল।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বিএনপির অপর একটি গ্রুপ কদমতলী এলাকায় এলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় উভয় পক্ষ। এ সময় পুরো কদমতলী এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।
কসবা থানার ওসি আলী মো. রাশেদ জানান, বিএনপির দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছামিউল ইসলাম জানান, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের কর্মসূচি ছিল। দুই পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের কথা বললেও পরে সংঘর্ষে জড়ায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
জনতার প্রেস | জনতার কথা, জনতার সংবাদ।

আপনার মতামত লিখুন