জনতার প্রেস ডেস্ক
ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে একটি হোটেলে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গুয়াহাটির বরা সার্ভিস এলাকার হোটেল বিলাস ইনে এই ঘটনা ঘটে।
হোটেলের মালিক ও ইজারাদারের মধ্যে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত ইজারাদার ঘনকান্ত গগৈকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহতেরা হলেন হোটেলের মালিক হেলেনা ভারালি, তার ছেলে দেবর্ষি কাশ্যপ, দেবর্ষির স্ত্রী রিনিকি কাশ্যপ, পরিবারের আত্মীয় নারায়ণ দাস এবং হেলেনার ভাই ভূদেব ভারালি। গুলিবিদ্ধ সত্যেন্দ্র পাঠক নামে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত আরও এক ব্যক্তি গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। পুলিশ কমিশনার পার্থ সারথি মহন্ত সাংবাদিকদের জানান, গুলিতে মোট ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজনের চিকিৎসা চলছে। হামলায় ব্যবহৃত পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি বৈধ লাইসেন্সধারী পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে হোটেলের লিজ চুক্তি নিয়ে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত ও আহত প্রত্যেকেই হোটেলের মালিকের সঙ্গে সম্পর্কিত। হোটেলটি যিনি লিজ নিয়েছিলেন, তিনিই গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করেছেন।
ঘটনার আগে কী ঘটেছিল এবং কীভাবে গুলিচালনা শুরু হয়, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরও তথ্য সামনে আসবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, এই গুলিচালনার ঘটনায় গুয়াহাটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আসাম প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি গৌরব গগৈ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, গুয়াহাটির উলুবাড়ির হোটেল বিলাস ইনে মর্মান্তিক গুলিচালনার ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। এই ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই।
তিনি আরও লেখেন, এই ঘটনা গুয়াহাটিতে জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে এই ঘটনার দায় নিতে হবে এবং ক্রমবর্ধমান অপরাধের দিকে আরও বেশি নজর দিতে হবে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
জনতার প্রেস ডেস্ক
ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে একটি হোটেলে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গুয়াহাটির বরা সার্ভিস এলাকার হোটেল বিলাস ইনে এই ঘটনা ঘটে।
হোটেলের মালিক ও ইজারাদারের মধ্যে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত ইজারাদার ঘনকান্ত গগৈকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহতেরা হলেন হোটেলের মালিক হেলেনা ভারালি, তার ছেলে দেবর্ষি কাশ্যপ, দেবর্ষির স্ত্রী রিনিকি কাশ্যপ, পরিবারের আত্মীয় নারায়ণ দাস এবং হেলেনার ভাই ভূদেব ভারালি। গুলিবিদ্ধ সত্যেন্দ্র পাঠক নামে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত আরও এক ব্যক্তি গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। পুলিশ কমিশনার পার্থ সারথি মহন্ত সাংবাদিকদের জানান, গুলিতে মোট ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজনের চিকিৎসা চলছে। হামলায় ব্যবহৃত পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি বৈধ লাইসেন্সধারী পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে হোটেলের লিজ চুক্তি নিয়ে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত ও আহত প্রত্যেকেই হোটেলের মালিকের সঙ্গে সম্পর্কিত। হোটেলটি যিনি লিজ নিয়েছিলেন, তিনিই গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করেছেন।
ঘটনার আগে কী ঘটেছিল এবং কীভাবে গুলিচালনা শুরু হয়, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরও তথ্য সামনে আসবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, এই গুলিচালনার ঘটনায় গুয়াহাটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আসাম প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি গৌরব গগৈ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, গুয়াহাটির উলুবাড়ির হোটেল বিলাস ইনে মর্মান্তিক গুলিচালনার ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। এই ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই।
তিনি আরও লেখেন, এই ঘটনা গুয়াহাটিতে জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে এই ঘটনার দায় নিতে হবে এবং ক্রমবর্ধমান অপরাধের দিকে আরও বেশি নজর দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন