জনতার প্রেস

মূল পাতা

সারাদেশ

প্রথম দিনেই এক ঘণ্টা দেরিতে ফেনী ছাড়লো মহানগর এক্সপ্রেস

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
প্রথম দিনেই এক ঘণ্টা দেরিতে ফেনী ছাড়লো মহানগর এক্সপ্রেস
কক্সবাজারগামী মহানগর এক্সপ্রেস। ছবি: জনতার প্রেস

ফেনী প্রতিনিধি

দীর্ঘদিনের দাবির পর ফেনী থেকে সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন যাত্রাবিরতি চালু হওয়ায় এ সুবিধা পাচ্ছেন স্থানীয় যাত্রীরা। তবে প্রথম দিনেই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা চার মিনিট দেরিতে ফেনী স্টেশন ছেড়েছে ট্রেনটি। এদিন স্টেশনটি থেকে ৪৭ জন যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারের পথে রওনা হয় মহানগর এক্সপ্রেস।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনটির নতুন যাত্রাবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এ উপলক্ষে ঢাকা থেকে মহানগর এক্সপ্রেসে ফেনী আসেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

ফেনী স্টেশনে পৌঁছে তিনি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্টেশন সূত্র জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে মহানগর এক্সপ্রেস। সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১টা ৪ মিনিটে ফেনী স্টেশনে পৌঁছে দুই মিনিটের বিরতি শেষে রাত ১টা ৬ মিনিটে ট্রেনটির ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের ৫১ মিনিট পর রাত ১টা ৫৫ মিনিটে ফেনী পৌঁছায় ট্রেনটি। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত ২টা ১০ মিনিটে কক্সবাজারের উদ্দেশে স্টেশন ছাড়ে এটি। ফলে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় এক ঘণ্টা চার মিনিট দেরি হয়।

রেলওয়ে সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ফেনী স্টেশন থেকে মহানগর এক্সপ্রেসে যাতায়াতের জন্য মোট ৬২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য ৪৭টি এবং চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের জন্য ১৫টি আসন রাখা হয়েছে। কক্সবাজারগামীদের আসনগুলোর মধ্যে দুটি এসি বার্থ, ১৫টি স্নিগ্ধা ও ৩০টি শোভন চেয়ার রয়েছে।

১৮টি কোচ নিয়ে চলাচলকারী ট্রেনটির লোকোমোটিভ নম্বর ৩০২৯। এতে লোকোমাস্টার হিসেবে জাহিদুল ইসলাম মিয়া, সহকারী লোকোমাস্টার হিসেবে শাহ আলম এবং গার্ড হিসেবে ইমরুল কায়েস দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন বিরতি চালুর মধ্য দিয়ে তাদের সেই দাবির কিছুটা বাস্তবায়ন হয়েছে।

তবে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য মাত্র ৪৭টি আসন বরাদ্দ থাকায় স্থানীয়দের চাহিদা কতটা পূরণ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার হারুন বলেন, মহানগর এক্সপ্রেস ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এদিন ফেনী থেকে ৪৭ জন যাত্রী কক্সবাজারের উদ্দেশে ট্রেনে ওঠেন।

প্রথম দিনের বিলম্বের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন যাত্রাবিরতি চালু উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকতা থাকায় ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ছেড়েছে।

জনতার প্রেস--------

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেলওয়ে

আপনার মতামত লিখুন

প্রথম দিনেই এক ঘণ্টা দেরিতে ফেনী ছাড়লো মহানগর এক্সপ্রেস
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


প্রথম দিনেই এক ঘণ্টা দেরিতে ফেনী ছাড়লো মহানগর এক্সপ্রেস

প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ফেনী প্রতিনিধি

দীর্ঘদিনের দাবির পর ফেনী থেকে সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন যাত্রাবিরতি চালু হওয়ায় এ সুবিধা পাচ্ছেন স্থানীয় যাত্রীরা। তবে প্রথম দিনেই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা চার মিনিট দেরিতে ফেনী স্টেশন ছেড়েছে ট্রেনটি। এদিন স্টেশনটি থেকে ৪৭ জন যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারের পথে রওনা হয় মহানগর এক্সপ্রেস।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনটির নতুন যাত্রাবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এ উপলক্ষে ঢাকা থেকে মহানগর এক্সপ্রেসে ফেনী আসেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

ফেনী স্টেশনে পৌঁছে তিনি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্টেশন সূত্র জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে মহানগর এক্সপ্রেস। সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১টা ৪ মিনিটে ফেনী স্টেশনে পৌঁছে দুই মিনিটের বিরতি শেষে রাত ১টা ৬ মিনিটে ট্রেনটির ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের ৫১ মিনিট পর রাত ১টা ৫৫ মিনিটে ফেনী পৌঁছায় ট্রেনটি। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত ২টা ১০ মিনিটে কক্সবাজারের উদ্দেশে স্টেশন ছাড়ে এটি। ফলে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় এক ঘণ্টা চার মিনিট দেরি হয়।

রেলওয়ে সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ফেনী স্টেশন থেকে মহানগর এক্সপ্রেসে যাতায়াতের জন্য মোট ৬২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য ৪৭টি এবং চট্টগ্রামগামী যাত্রীদের জন্য ১৫টি আসন রাখা হয়েছে। কক্সবাজারগামীদের আসনগুলোর মধ্যে দুটি এসি বার্থ, ১৫টি স্নিগ্ধা ও ৩০টি শোভন চেয়ার রয়েছে।

১৮টি কোচ নিয়ে চলাচলকারী ট্রেনটির লোকোমোটিভ নম্বর ৩০২৯। এতে লোকোমাস্টার হিসেবে জাহিদুল ইসলাম মিয়া, সহকারী লোকোমাস্টার হিসেবে শাহ আলম এবং গার্ড হিসেবে ইমরুল কায়েস দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা। মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন বিরতি চালুর মধ্য দিয়ে তাদের সেই দাবির কিছুটা বাস্তবায়ন হয়েছে।

তবে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য মাত্র ৪৭টি আসন বরাদ্দ থাকায় স্থানীয়দের চাহিদা কতটা পূরণ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার হারুন বলেন, মহানগর এক্সপ্রেস ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এদিন ফেনী থেকে ৪৭ জন যাত্রী কক্সবাজারের উদ্দেশে ট্রেনে ওঠেন।

প্রথম দিনের বিলম্বের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন যাত্রাবিরতি চালু উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকতা থাকায় ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ছেড়েছে।

জনতার প্রেস--------


জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস