আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার প্রেস
ভারতের যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) নেতাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কোনো অপরাধ হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তরুণদের কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন এই কংগ্রেস নেতা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সকালে সিজিপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কোনো অপরাধ হতে পারে না। তরুণদের কারাগারে পাঠানো সরকারের কাপুরুষতার পরিচয় বহন করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাহুল গান্ধী আরও বলেন, নাগরিক সমাজ, শিক্ষার্থী এবং ইন্ডিয়া জোটের ব্যানারে পরিচালিত বিভিন্ন আন্দোলন মূলত সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের সম্পদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ এই স্থান পুনরায় নিজেদের অধিকারে ফিরিয়ে নেবে।
রাহুলের সমর্থনকে স্বাগত সিজিপির
রাহুল গান্ধীর সমর্থনের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। দলের নেতাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কবে থেকে শান্তিভঙ্গের কারণ হয়ে দাঁড়াল।
এদিকে, সিজিপির পাশাপাশি আইসা নেত্রী নেহা বোরাও গত সোমবারের মিছিলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অংশ নেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিরোধী দলগুলোর সমালোচনা
সিজিপি নেতাদের কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন ভারতের আরও কয়েকজন বিরোধী রাজনৈতিক নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য অভিষেক ব্যানার্জি, ডিএমকে প্রধান এমকে স্ট্যালিন এবং শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা আদিত্য ঠাকরে।
জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তারের ঘটনায় বিরোধী নেতাদের এই অবস্থান ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার প্রেস
ভারতের যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) নেতাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কোনো অপরাধ হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তরুণদের কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন এই কংগ্রেস নেতা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সকালে সিজিপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কোনো অপরাধ হতে পারে না। তরুণদের কারাগারে পাঠানো সরকারের কাপুরুষতার পরিচয় বহন করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাহুল গান্ধী আরও বলেন, নাগরিক সমাজ, শিক্ষার্থী এবং ইন্ডিয়া জোটের ব্যানারে পরিচালিত বিভিন্ন আন্দোলন মূলত সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের সম্পদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ এই স্থান পুনরায় নিজেদের অধিকারে ফিরিয়ে নেবে।
রাহুলের সমর্থনকে স্বাগত সিজিপির
রাহুল গান্ধীর সমর্থনের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। দলের নেতাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কবে থেকে শান্তিভঙ্গের কারণ হয়ে দাঁড়াল।
এদিকে, সিজিপির পাশাপাশি আইসা নেত্রী নেহা বোরাও গত সোমবারের মিছিলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অংশ নেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিরোধী দলগুলোর সমালোচনা
সিজিপি নেতাদের কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন ভারতের আরও কয়েকজন বিরোধী রাজনৈতিক নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য অভিষেক ব্যানার্জি, ডিএমকে প্রধান এমকে স্ট্যালিন এবং শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা আদিত্য ঠাকরে।
জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তারের ঘটনায় বিরোধী নেতাদের এই অবস্থান ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন