সিলেট নগরের কানিশাইল এলাকায় পুলিশের ধাওয়ার মুখে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে জজ মিয়া (৫৮) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কানিশাইল এলাকার খেয়াঘাটে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত জজ মিয়ার বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাস্তাল গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মুলু মিয়া। তিনি সিলেট নগরের কানিশাইল এলাকায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল কানিশাইল এলাকার ঈদগাহ-সংলগ্ন স্থানে জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের ধাওয়ায় কয়েকজন দৌড়ে পালিয়ে যান। তাঁদের মধ্যে জজ মিয়াও ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেন।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দা শাহেদ আহমদ জানান, ঘটনার সময় তিনি কানিশাইল বাজারে মাছ আনতে গিয়েছিলেন। সেখানে এক ব্যক্তি পানিতে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে জজ মিয়াকে উদ্ধারে সহায়তা করেন এবং তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
এদিকে, জজ মিয়ার হৃদ্রোগের সমস্যা ছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে বাদশা মিয়া। তিনি বলেন, এর আগেও তাঁর বাবা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত না থাকায় কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা জানেন না।
জজ মিয়ার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের নগর বিশেষ শাখার (সিটি এসবি) উপকমিশনার মো. আফজাল হোসেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে তিনি জানান।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সিলেট নগরের কানিশাইল এলাকায় পুলিশের ধাওয়ার মুখে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে জজ মিয়া (৫৮) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কানিশাইল এলাকার খেয়াঘাটে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত জজ মিয়ার বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাস্তাল গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মুলু মিয়া। তিনি সিলেট নগরের কানিশাইল এলাকায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল কানিশাইল এলাকার ঈদগাহ-সংলগ্ন স্থানে জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের ধাওয়ায় কয়েকজন দৌড়ে পালিয়ে যান। তাঁদের মধ্যে জজ মিয়াও ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেন।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দা শাহেদ আহমদ জানান, ঘটনার সময় তিনি কানিশাইল বাজারে মাছ আনতে গিয়েছিলেন। সেখানে এক ব্যক্তি পানিতে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে জজ মিয়াকে উদ্ধারে সহায়তা করেন এবং তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
এদিকে, জজ মিয়ার হৃদ্রোগের সমস্যা ছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে বাদশা মিয়া। তিনি বলেন, এর আগেও তাঁর বাবা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত না থাকায় কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা জানেন না।
জজ মিয়ার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের নগর বিশেষ শাখার (সিটি এসবি) উপকমিশনার মো. আফজাল হোসেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন