নিজস্ব প্রতিবেদক | জনতার প্রেস
দেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের উদ্ভাবনী সক্ষমতা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং টেকসই শিল্প ব্যবস্থাপনা তুলে ধরতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘টিআইই–আইটিইটি টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’। আগামী ১২ নভেম্বর পূর্বাচলের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ প্রদর্শনী শুরু হবে।
ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি) বাংলাদেশ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ (টিআইই) যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। এতে বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারী এবং উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলো অংশ নেবে।
সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রদর্শনীর বিস্তারিত তুলে ধরেন আয়োজকেরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সুমায়েল মোহাম্মদ মল্লিক ও মহাসচিব এ এস এম হাফিজুর রহমান; নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর পরিচালক ইমরান কাদের; বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রিন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিপিএ) সভাপতি মো. আবদুল হামিদ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এহসানুল করিম কায়সারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের শিল্প খাতে প্রায় ১৫ হাজার প্রকৌশলী কাজ করেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজারের বেশি প্রকৌশলী আইটিইটির সদস্য।
তিনি বলেন, বস্ত্র খাতের প্রকৌশলীদের শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্ভাবন বাস্তবায়নে উৎসাহিত করাই এ প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে শিল্পের চাহিদার সঙ্গে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সংযোগ আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রদর্শনীতে ৫০টি তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও সরঞ্জাম কারখানা এবং ২০০টি প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। পাশাপাশি বৈশ্বিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
প্রদর্শনীতে বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্পের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, নতুন উদ্ভাবন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার আধুনিকায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন সমাধান তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবারের প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ ‘টেক্সটাইল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতে কারখানাভিত্তিক উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, পণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিতে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
আয়োজকদের মতে, এ উদ্যোগ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উদ্ভাবনী কার্যক্রমে আরও উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের সক্ষমতা তুলে ধরতে সহায়ক হবে।
প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের।
তিন দিনের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্পে উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং টেকসই উৎপাদনব্যবস্থা জোরদারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | জনতার প্রেস
দেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের উদ্ভাবনী সক্ষমতা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং টেকসই শিল্প ব্যবস্থাপনা তুলে ধরতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘টিআইই–আইটিইটি টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’। আগামী ১২ নভেম্বর পূর্বাচলের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ প্রদর্শনী শুরু হবে।
ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি) বাংলাদেশ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ (টিআইই) যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। এতে বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারী এবং উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলো অংশ নেবে।
সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রদর্শনীর বিস্তারিত তুলে ধরেন আয়োজকেরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সুমায়েল মোহাম্মদ মল্লিক ও মহাসচিব এ এস এম হাফিজুর রহমান; নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর পরিচালক ইমরান কাদের; বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রিন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিপিএ) সভাপতি মো. আবদুল হামিদ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এহসানুল করিম কায়সারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের শিল্প খাতে প্রায় ১৫ হাজার প্রকৌশলী কাজ করেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজারের বেশি প্রকৌশলী আইটিইটির সদস্য।
তিনি বলেন, বস্ত্র খাতের প্রকৌশলীদের শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্ভাবন বাস্তবায়নে উৎসাহিত করাই এ প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে শিল্পের চাহিদার সঙ্গে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সংযোগ আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রদর্শনীতে ৫০টি তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও সরঞ্জাম কারখানা এবং ২০০টি প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। পাশাপাশি বৈশ্বিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
প্রদর্শনীতে বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্পের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, নতুন উদ্ভাবন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার আধুনিকায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন সমাধান তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবারের প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ ‘টেক্সটাইল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতে কারখানাভিত্তিক উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, পণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিতে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
আয়োজকদের মতে, এ উদ্যোগ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উদ্ভাবনী কার্যক্রমে আরও উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের সক্ষমতা তুলে ধরতে সহায়ক হবে।
প্রদর্শনীটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের।
তিন দিনের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্পে উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং টেকসই উৎপাদনব্যবস্থা জোরদারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

আপনার মতামত লিখুন