জনতার প্রেস

মূল পাতা

আন্তর্জাতিক

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব কংগ্রেস নেতা; বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে সরকার চাপে পড়েছে বলে দাবি

‘জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, মোদি সরকারও যাবে’, গণতন্ত্র ফেরানোর ঘোষণা রাহুলের

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
‘জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, মোদি সরকারও যাবে’, গণতন্ত্র ফেরানোর ঘোষণা রাহুলের
ছবি:সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার প্রেস

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতনের পর দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

সংসদের সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’র (INDIA) সাংসদদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে রাহুল গান্ধী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি কেবল একজন নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর বিষয় নয়; বরং এর পেছনে আরও বড় ও গভীর সংকট রয়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান সরকারের পতন প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাহুল গান্ধীর দাবি, গত কয়েক দিনে বিরোধী দলগুলো যেভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে, তাতে সরকার চাপে পড়েছে এবং আতঙ্কিত হয়ে উঠেছে।

‘সরকার যাবে, তারপর শুরু হবে গণতন্ত্র মেরামত’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, এই সরকারও যাবে, আর তারপরই শুরু হবে গণতন্ত্র মেরামতের কাজ।’

তিনি এই লড়াইকে দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন। বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে আন্দোলনের গতি ও চাপ বজায় রাখতে পারলে বর্তমান সরকারের পতন অনিবার্য বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন কংগ্রেস নেতা।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনার ভোটার তালিকাসংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন—এমন একটি সংবাদ প্রকাশের পর ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।

এই প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ ও প্রতিবাদ জোরালো হয়েছে। রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী নেতারা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা অব্যাহত রেখেছেন।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কোনো প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। কমিশনের দাবি, তাদের নেওয়া নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ আইনসম্মত।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত, ভোটার তালিকা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে এই বিতর্কের মধ্যেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আপনার মতামত লিখুন

‘জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, মোদি সরকারও যাবে’, গণতন্ত্র ফেরানোর ঘোষণা রাহুলের
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


‘জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, মোদি সরকারও যাবে’, গণতন্ত্র ফেরানোর ঘোষণা রাহুলের

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার প্রেস

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতনের পর দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

সংসদের সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’র (INDIA) সাংসদদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে রাহুল গান্ধী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি কেবল একজন নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর বিষয় নয়; বরং এর পেছনে আরও বড় ও গভীর সংকট রয়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান সরকারের পতন প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাহুল গান্ধীর দাবি, গত কয়েক দিনে বিরোধী দলগুলো যেভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে, তাতে সরকার চাপে পড়েছে এবং আতঙ্কিত হয়ে উঠেছে।

‘সরকার যাবে, তারপর শুরু হবে গণতন্ত্র মেরামত’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, এই সরকারও যাবে, আর তারপরই শুরু হবে গণতন্ত্র মেরামতের কাজ।’

তিনি এই লড়াইকে দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন। বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে আন্দোলনের গতি ও চাপ বজায় রাখতে পারলে বর্তমান সরকারের পতন অনিবার্য বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন কংগ্রেস নেতা।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনার ভোটার তালিকাসংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন—এমন একটি সংবাদ প্রকাশের পর ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।

এই প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ ও প্রতিবাদ জোরালো হয়েছে। রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী নেতারা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা অব্যাহত রেখেছেন।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কোনো প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। কমিশনের দাবি, তাদের নেওয়া নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ আইনসম্মত।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত, ভোটার তালিকা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে এই বিতর্কের মধ্যেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস