ইসলামিক উত্তরাধিকার ও হেবা (দান) সংক্রান্ত আইনে কোনো ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।
বাবা-মায়ের প্রতি দরদের অজুহাতে ধর্মীয় বিধানে ‘অতিরিক্ত মাতব্বরি’ না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মহান আল্লাহর প্রণীত আইনই বান্দার জন্য সর্বাধিক কল্যাণকর।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি বলেন, ‘বাবা-মায়ের প্রতি দরদ দেখাতে গিয়ে দান করা সম্পত্তি আইন (হেবা) যদি পরিবর্তন করা হয়, কিছুদিন পর তো বলা হবে—ছেলেটাও আমার, মেয়েটাও আমার; সম্পত্তি কেন কম-বেশি দিব? আরেক দরদ! অতএব, এই দরদ-দরদ খেলা বন্ধ হোক এখনই।’
তিনি বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। উনার চেয়ে বান্দার প্রতি দরদী আর কেউ নেই। তিনি যা আইন করেছেন, সকলের কল্যাণের জন্যই করেছেন। এখানে এক্সট্রা মাতব্বরির কিছু নাই!’
তিনি আরও বলেন, ‘রবের হুকুম বুঝে না আসলেও, এর মধ্যে কল্যাণ মেনে নেওয়ার নামই ঈমান। আর যে মানে, সে-ই মুসলিম।’

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইসলামিক উত্তরাধিকার ও হেবা (দান) সংক্রান্ত আইনে কোনো ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।
বাবা-মায়ের প্রতি দরদের অজুহাতে ধর্মীয় বিধানে ‘অতিরিক্ত মাতব্বরি’ না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মহান আল্লাহর প্রণীত আইনই বান্দার জন্য সর্বাধিক কল্যাণকর।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি বলেন, ‘বাবা-মায়ের প্রতি দরদ দেখাতে গিয়ে দান করা সম্পত্তি আইন (হেবা) যদি পরিবর্তন করা হয়, কিছুদিন পর তো বলা হবে—ছেলেটাও আমার, মেয়েটাও আমার; সম্পত্তি কেন কম-বেশি দিব? আরেক দরদ! অতএব, এই দরদ-দরদ খেলা বন্ধ হোক এখনই।’
তিনি বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। উনার চেয়ে বান্দার প্রতি দরদী আর কেউ নেই। তিনি যা আইন করেছেন, সকলের কল্যাণের জন্যই করেছেন। এখানে এক্সট্রা মাতব্বরির কিছু নাই!’
তিনি আরও বলেন, ‘রবের হুকুম বুঝে না আসলেও, এর মধ্যে কল্যাণ মেনে নেওয়ার নামই ঈমান। আর যে মানে, সে-ই মুসলিম।’

আপনার মতামত লিখুন