আমতলীতে আদালতের মামলায় বিপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ায় রেবেকা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে কামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার শাখারিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাখারিয়া গ্রামের কামাল হাওলাদার তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেশী নিজাম সিকদার ও হালিম মিস্ত্রির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে ২৩ ফেব্রুয়ারি আমতলী থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে নেওয়া হয়।
সম্প্রতি মামলাটির তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রেবেকা বেগমসহ স্থানীয় কয়েকজনের সাক্ষ্য নেয়। রেবেকা মামলার বাদী কামাল হাওলাদারের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন—এমন অভিযোগে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।
শুক্রবার দুপুরে রেবেকা কামাল হাওলাদারের বাড়ির পাশে একটি টেইলার্সের দোকানে পোশাক আনতে যান। সেখানে কামালের স্ত্রী রেক্সেনার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে কামাল হাওলাদার চাপাতি দিয়ে রেবেকাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এতে তাঁর মাথা ও কপালে গুরুতর জখম হয়।
পরে স্বজনেরা রেবেকাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কুলসুম বলেন, “রেবেকা আমার কাছে পোশাক নিতে এসেছিল। তাকে দেখে কামাল হাওলাদারের স্ত্রী রেক্সেনা গালাগাল করেন। পরে কামাল হাওলাদার চাপাতি দিয়ে রেবেকাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেন।”
আহত রেবেকা বেগম বলেন, “ওই মামলায় পুলিশ তদন্ত করতে এলে আমি সত্য সাক্ষ্য দিয়েছি। এ কারণে কামাল হাওলাদার ও তাঁর স্ত্রী আমাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কামাল হাওলাদার বলেন, “কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে চাপাতি দিয়ে কয়েকটি আঘাত করেছি।”
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা মহুয়া জানান, আহত রেবেকা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, “অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
আমতলীতে আদালতের মামলায় বিপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ায় রেবেকা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে কামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার শাখারিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাখারিয়া গ্রামের কামাল হাওলাদার তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেশী নিজাম সিকদার ও হালিম মিস্ত্রির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে ২৩ ফেব্রুয়ারি আমতলী থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে নেওয়া হয়।
সম্প্রতি মামলাটির তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রেবেকা বেগমসহ স্থানীয় কয়েকজনের সাক্ষ্য নেয়। রেবেকা মামলার বাদী কামাল হাওলাদারের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন—এমন অভিযোগে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।
শুক্রবার দুপুরে রেবেকা কামাল হাওলাদারের বাড়ির পাশে একটি টেইলার্সের দোকানে পোশাক আনতে যান। সেখানে কামালের স্ত্রী রেক্সেনার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে কামাল হাওলাদার চাপাতি দিয়ে রেবেকাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এতে তাঁর মাথা ও কপালে গুরুতর জখম হয়।
পরে স্বজনেরা রেবেকাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কুলসুম বলেন, “রেবেকা আমার কাছে পোশাক নিতে এসেছিল। তাকে দেখে কামাল হাওলাদারের স্ত্রী রেক্সেনা গালাগাল করেন। পরে কামাল হাওলাদার চাপাতি দিয়ে রেবেকাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেন।”
আহত রেবেকা বেগম বলেন, “ওই মামলায় পুলিশ তদন্ত করতে এলে আমি সত্য সাক্ষ্য দিয়েছি। এ কারণে কামাল হাওলাদার ও তাঁর স্ত্রী আমাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কামাল হাওলাদার বলেন, “কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে চাপাতি দিয়ে কয়েকটি আঘাত করেছি।”
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা মহুয়া জানান, আহত রেবেকা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, “অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন