ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যদি যুক্তরাজ্যের কোনো সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে, তবে ওই ঘাঁটিকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে লন্ডনকে সতর্ক করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
বাহিনীটির জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে বি-১ বোমারু বিমান উড্ডয়ন করে হামলা চালিয়েছে।
এতে বলা হয়, আগ্রাসী মার্কিন বাহিনী ব্রিটেনের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আগেই যেমনটি বলেছেন, ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালাতে যে কোনো ঘাঁটি ব্যবহার করা হলে, সেটি আমাদের কাছে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতায় যুক্তরাজ্য যেন আর সহায়তা না করে, সে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা যুক্তরাজ্যকে সতর্ক করছ-আমাদের অঞ্চলের জনগণের দুর্ভোগের পেছনে যার বড় ভূমিকা রয়েছে এবং যার অন্ধকার ইতিহাসে ইসলামী দেশগুলোকে বিভক্ত করা, ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালানো, স্বৈরাচারী সরকার প্রতিষ্ঠা করা এবং সবচেয়ে গুরুতর ফিলিস্তিন দখলের পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা এবং ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার মতো ঘটনা রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনেও দেশটি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। তাই তাদের ইতিহাসে যেন আর নতুন কোনো কলঙ্ক যুক্ত না হয়।
বিবৃতিতে ইরান কীভাবে এর জবাব দেবে বা কোনো নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুর নাম উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাজ্য।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যদি যুক্তরাজ্যের কোনো সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে, তবে ওই ঘাঁটিকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে লন্ডনকে সতর্ক করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
বাহিনীটির জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে বি-১ বোমারু বিমান উড্ডয়ন করে হামলা চালিয়েছে।
এতে বলা হয়, আগ্রাসী মার্কিন বাহিনী ব্রিটেনের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আগেই যেমনটি বলেছেন, ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালাতে যে কোনো ঘাঁটি ব্যবহার করা হলে, সেটি আমাদের কাছে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতায় যুক্তরাজ্য যেন আর সহায়তা না করে, সে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা যুক্তরাজ্যকে সতর্ক করছ-আমাদের অঞ্চলের জনগণের দুর্ভোগের পেছনে যার বড় ভূমিকা রয়েছে এবং যার অন্ধকার ইতিহাসে ইসলামী দেশগুলোকে বিভক্ত করা, ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালানো, স্বৈরাচারী সরকার প্রতিষ্ঠা করা এবং সবচেয়ে গুরুতর ফিলিস্তিন দখলের পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা এবং ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার মতো ঘটনা রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনেও দেশটি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। তাই তাদের ইতিহাসে যেন আর নতুন কোনো কলঙ্ক যুক্ত না হয়।
বিবৃতিতে ইরান কীভাবে এর জবাব দেবে বা কোনো নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুর নাম উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাজ্য।

আপনার মতামত লিখুন