বিমানবন্দরে গুতেরেসকে স্বাগত জানান সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি। ২০০৯ সালের পর এই প্রথম কোনো জাতিসংঘ প্রধান সিরিয়া এলেন। এই দীর্ঘ সময়ে দেশটিতে ১৪ বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ চলেছে।
সফরে গুতেরেস সিরিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এই সাক্ষাৎকারটি তাৎপর্যপূর্ণ কারণ আল-শারা একসময় নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার কমান্ডার ছিলেন এবং গত বছর পর্যন্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিলেন।
২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদের পতনের পর ক্ষমতায় আসা আল-শারার জন্য এই সফরটিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গুতেরেস শুধু রাষ্ট্রপতির সঙ্গেই নয়, সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।
এছাড়াও, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে তিনি অধিকৃত গোলান মালভূমিও সফর করবেন এবং সেখানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন ইউএনডিওএফের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখবেন।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, এই সফর সিরিয়াকে সংঘাত থেকে পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।
সফরের পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কয়েক দিন দেশটিতে থাকবেন এবং আগামী সোমবার পার্লামেন্টে ভাষণ দিতে পারেন।
উল্লেখ্য, আসাদের পতনের পর সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টও সিরিয়া সফর করেছেন। তবে তার সফরকালে দামেস্কের এক এলাকায় দুটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরই গুতেরেসের এই সফর। সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত আইএসআইএস-এর একটি সেলকে শনাক্ত করা হয়েছে।
(সূত্র: এনডিটিভি/আল জাজিরা)

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
বিমানবন্দরে গুতেরেসকে স্বাগত জানান সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি। ২০০৯ সালের পর এই প্রথম কোনো জাতিসংঘ প্রধান সিরিয়া এলেন। এই দীর্ঘ সময়ে দেশটিতে ১৪ বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ চলেছে।
সফরে গুতেরেস সিরিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এই সাক্ষাৎকারটি তাৎপর্যপূর্ণ কারণ আল-শারা একসময় নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার কমান্ডার ছিলেন এবং গত বছর পর্যন্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিলেন।
২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদের পতনের পর ক্ষমতায় আসা আল-শারার জন্য এই সফরটিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গুতেরেস শুধু রাষ্ট্রপতির সঙ্গেই নয়, সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।
এছাড়াও, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে তিনি অধিকৃত গোলান মালভূমিও সফর করবেন এবং সেখানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন ইউএনডিওএফের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখবেন।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, এই সফর সিরিয়াকে সংঘাত থেকে পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।
সফরের পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কয়েক দিন দেশটিতে থাকবেন এবং আগামী সোমবার পার্লামেন্টে ভাষণ দিতে পারেন।
উল্লেখ্য, আসাদের পতনের পর সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টও সিরিয়া সফর করেছেন। তবে তার সফরকালে দামেস্কের এক এলাকায় দুটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরই গুতেরেসের এই সফর। সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত আইএসআইএস-এর একটি সেলকে শনাক্ত করা হয়েছে।
(সূত্র: এনডিটিভি/আল জাজিরা)

আপনার মতামত লিখুন