তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি বা মক্কা প্যাক্টি সম্পর্কিত বিল অনুমোদন করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। বৃহস্পতিবার গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সাধারণ অধিবেশনে দীর্ঘ আলোচনার পর বিলটি পাস হয়, যার মাধ্যমে তিন দেশের মধ্যে কৌশলগত নিরাপত্তা চুক্তি কার্যকরের পথ সুগম হলো।
অধিবেশন চলাকালে তুরস্কের সরকারি দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) আইনপ্রণেতা জিয়া আলতুনিয়েলদিজ জানান, এই চুক্তির মূল লক্ষ্য অঞ্চলের নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানো। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এতে কোনও তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কোনও উপাদান নেই এবং সংঘাত উসকে দেওয়ার বদলে তা রোধ করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
তবে বিরোধীদের পক্ষে রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) আইনপ্রণেতা মেহমেত গুজেলমানসুর চুক্তির পরিধি ও তদারকি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এটি যেন তুরস্কের অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়, সে জন্য সুস্পষ্ট নিয়মকানুন প্রয়োজন।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় আয়োজিত এক ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব ঐতিহাসিক এই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশ যৌথ নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা গভীর করা এবং এই অঞ্চলসহ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রবর্ধনের অঙ্গীকার করেছিল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি বা মক্কা প্যাক্টি সম্পর্কিত বিল অনুমোদন করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। বৃহস্পতিবার গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সাধারণ অধিবেশনে দীর্ঘ আলোচনার পর বিলটি পাস হয়, যার মাধ্যমে তিন দেশের মধ্যে কৌশলগত নিরাপত্তা চুক্তি কার্যকরের পথ সুগম হলো।
অধিবেশন চলাকালে তুরস্কের সরকারি দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) আইনপ্রণেতা জিয়া আলতুনিয়েলদিজ জানান, এই চুক্তির মূল লক্ষ্য অঞ্চলের নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানো। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এতে কোনও তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কোনও উপাদান নেই এবং সংঘাত উসকে দেওয়ার বদলে তা রোধ করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
তবে বিরোধীদের পক্ষে রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) আইনপ্রণেতা মেহমেত গুজেলমানসুর চুক্তির পরিধি ও তদারকি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এটি যেন তুরস্কের অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়, সে জন্য সুস্পষ্ট নিয়মকানুন প্রয়োজন।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় আয়োজিত এক ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব ঐতিহাসিক এই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশ যৌথ নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা গভীর করা এবং এই অঞ্চলসহ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রবর্ধনের অঙ্গীকার করেছিল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন