প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে যশোরে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের লালদীঘী পাড়ের মঞ্চে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। পরে তিনি লালদীঘীতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, যশোর শহরের লালদীঘী শুধু একটি জলাশয় নয়, এটি শতবর্ষের ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে ধর্মীয় উৎসব পালনের স্বাধীনতা ও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
বিসর্জন অনুষ্ঠানে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দিপঙ্কর দাস রতনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসানসহ অন্যরা।
প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে সন্ধ্যায় লালদীঘী এলাকায় মানুষের ঢল নামে। এ সময় অনেক ভক্তের চোখ ছিল অশ্রুসিক্ত। আয়োজকেরা জানান, যশোর পৌরসভার তত্ত্বাবধানে শহরের ৫৪টি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় লালদীঘীতে। এ উপলক্ষে পুরো এলাকায় এসআরবি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে যশোরে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের লালদীঘী পাড়ের মঞ্চে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। পরে তিনি লালদীঘীতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, যশোর শহরের লালদীঘী শুধু একটি জলাশয় নয়, এটি শতবর্ষের ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে ধর্মীয় উৎসব পালনের স্বাধীনতা ও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
বিসর্জন অনুষ্ঠানে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দিপঙ্কর দাস রতনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসানসহ অন্যরা।
প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে সন্ধ্যায় লালদীঘী এলাকায় মানুষের ঢল নামে। এ সময় অনেক ভক্তের চোখ ছিল অশ্রুসিক্ত। আয়োজকেরা জানান, যশোর পৌরসভার তত্ত্বাবধানে শহরের ৫৪টি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় লালদীঘীতে। এ উপলক্ষে পুরো এলাকায় এসআরবি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

আপনার মতামত লিখুন