আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার প্রেস
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আবারও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এবং দুই সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পুলিশ আটক করার পরও রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে দলটি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইট অবতরণের কিছুক্ষণ পরই সিজেপির ওই তিন নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
সিজেপির দাবি, আটকের পর ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ওই তিন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি দলটি। তাঁদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য জানে না বলে জানিয়েছে দলটি।
দলের শীর্ষ তিন নেতার অনুপস্থিতিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছেন সিজেপি নেতা অজিঙ্কা শিন্ডে। তিনিই রোববার সকাল ১০টায় যন্তর মন্তরে ফের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এর আগে শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঠেকাতে অভিযান চালিয়ে তিন হাজারের বেশি মানুষকে আটক করে দিল্লি পুলিশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভ মোকাবিলায় রাজধানীজুড়ে জোরদার করা হয় নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং আরোপ করা হয় বিভিন্ন বিধিনিষেধ।
এত কিছুর পরও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে রয়েছে সিজেপি। দলটির শীর্ষ নেতাদের আটকের পর রোববারের কর্মসূচিতে কত মানুষ অংশ নেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা কী হয়, এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জনতার প্রেস
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আবারও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এবং দুই সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পুলিশ আটক করার পরও রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে দলটি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইট অবতরণের কিছুক্ষণ পরই সিজেপির ওই তিন নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
সিজেপির দাবি, আটকের পর ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ওই তিন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি দলটি। তাঁদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য জানে না বলে জানিয়েছে দলটি।
দলের শীর্ষ তিন নেতার অনুপস্থিতিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছেন সিজেপি নেতা অজিঙ্কা শিন্ডে। তিনিই রোববার সকাল ১০টায় যন্তর মন্তরে ফের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এর আগে শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঠেকাতে অভিযান চালিয়ে তিন হাজারের বেশি মানুষকে আটক করে দিল্লি পুলিশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভ মোকাবিলায় রাজধানীজুড়ে জোরদার করা হয় নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং আরোপ করা হয় বিভিন্ন বিধিনিষেধ।
এত কিছুর পরও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে রয়েছে সিজেপি। দলটির শীর্ষ নেতাদের আটকের পর রোববারের কর্মসূচিতে কত মানুষ অংশ নেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা কী হয়, এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

আপনার মতামত লিখুন