জনতার প্রেস

মূল পাতা

আন্তর্জাতিক

​গাজা পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর দ্বিমত: পুনর্গঠনের আগেই হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রিকরণের দাবি।

​গাজা পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর দ্বিমত: পুনর্গঠনের আগেই হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রিকরণের দাবি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

​গাজা উপত্যকার যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং পুনর্গঠন পরিকল্পনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি নীতিগত দ্বিমত পোষণ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ট্রাম্প গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ (Board of Peace)-এর প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে এই মতপার্থক্যের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন তিনি।

​মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

​নেতানিয়াহুর কঠোর শর্ত

​মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রধান প্রতিনিধি নিকোলে ম্লাদেনোভের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর নেতানিয়াহু তাঁর এই অবস্থানের কথা জানান।

​ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় কোনো ধরনের পুনর্গঠন কাজ শুরু করার আগে দুটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে:

  1. ​হামাসকে সম্পূর্ণরূপে অস্ত্র মুক্ত করা।
  2. ​পুরো গাজা উপত্যকাকে সামরিক প্রভাবমুক্ত (Demilitarized) ঘোষণা করা।

​চুক্তির খসড়া ও ব্যাকগ্রাউন্ড

​গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হামাসের সঙ্গে ‘বোর্ড অব পিস’-এর একটি চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। আল জাজিরা প্রকাশিত ওই চুক্তির খসড়া অনুযায়ী—

  • ​গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা ছিল।
  • ​ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের অগ্রগতির সঙ্গে মিলিয়ে ধাপে ধাপে হামাসের অস্ত্র জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছিল।

​ইসরায়েলের চাপে কৌশলে পরিবর্তন

​চুক্তির প্রাথমিক খসড়া প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তীব্র আপত্তি জানায় ইসরায়েল সরকার। নেতানিয়াহু প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ব্যাকফুটে যায় ‘বোর্ড অব পিস’।

​নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘বোর্ড অব পিস’ তাদের আগের নমনীয় অবস্থান থেকে সরে এসেছে। পরিবর্তিত নীতি অনুযায়ী, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই হামাসকে তাদের সমস্ত অস্ত্র পরিত্যাগ ও সমর্পণ করতে হবে।

প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ:

  • মূল সংকট: গাজা পুনর্গঠন ও সেনা প্রত্যাহার বনাম হামাসের অস্ত্র সমর্পণের সময়সীমা।
  • ট্রাম্পের প্রাথমিক পরিকল্পনা: ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার ও অস্ত্র ত্যাগ।
  • নেতানিয়াহুর চূড়ান্ত অবস্থান: সেনা প্রত্যাহার ও পুনর্গঠনের আগেই হামাসের পূর্ণ নিরস্ত্রিকরণ।
  • ফলাফল: ইসরায়েলের আপত্তিতে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’।

আপনার মতামত লিখুন

​গাজা পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর দ্বিমত: পুনর্গঠনের আগেই হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রিকরণের দাবি।
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


​গাজা পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর দ্বিমত: পুনর্গঠনের আগেই হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রিকরণের দাবি।

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

​গাজা উপত্যকার যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং পুনর্গঠন পরিকল্পনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি নীতিগত দ্বিমত পোষণ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ট্রাম্প গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ (Board of Peace)-এর প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে এই মতপার্থক্যের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন তিনি।

​মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

​নেতানিয়াহুর কঠোর শর্ত

​মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রধান প্রতিনিধি নিকোলে ম্লাদেনোভের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর নেতানিয়াহু তাঁর এই অবস্থানের কথা জানান।

​ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় কোনো ধরনের পুনর্গঠন কাজ শুরু করার আগে দুটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে:

  1. ​হামাসকে সম্পূর্ণরূপে অস্ত্র মুক্ত করা।
  2. ​পুরো গাজা উপত্যকাকে সামরিক প্রভাবমুক্ত (Demilitarized) ঘোষণা করা।

​চুক্তির খসড়া ও ব্যাকগ্রাউন্ড

​গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হামাসের সঙ্গে ‘বোর্ড অব পিস’-এর একটি চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। আল জাজিরা প্রকাশিত ওই চুক্তির খসড়া অনুযায়ী—

  • ​গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা ছিল।
  • ​ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের অগ্রগতির সঙ্গে মিলিয়ে ধাপে ধাপে হামাসের অস্ত্র জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছিল।

​ইসরায়েলের চাপে কৌশলে পরিবর্তন

​চুক্তির প্রাথমিক খসড়া প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তীব্র আপত্তি জানায় ইসরায়েল সরকার। নেতানিয়াহু প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ব্যাকফুটে যায় ‘বোর্ড অব পিস’।

​নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘বোর্ড অব পিস’ তাদের আগের নমনীয় অবস্থান থেকে সরে এসেছে। পরিবর্তিত নীতি অনুযায়ী, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই হামাসকে তাদের সমস্ত অস্ত্র পরিত্যাগ ও সমর্পণ করতে হবে।

প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ:

  • মূল সংকট: গাজা পুনর্গঠন ও সেনা প্রত্যাহার বনাম হামাসের অস্ত্র সমর্পণের সময়সীমা।
  • ট্রাম্পের প্রাথমিক পরিকল্পনা: ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার ও অস্ত্র ত্যাগ।
  • নেতানিয়াহুর চূড়ান্ত অবস্থান: সেনা প্রত্যাহার ও পুনর্গঠনের আগেই হামাসের পূর্ণ নিরস্ত্রিকরণ।
  • ফলাফল: ইসরায়েলের আপত্তিতে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’।

জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস