জনতার প্রেস
Post Ads 1
Post Ads 2

মূল পাতা

জাতীয়

পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩
Post Ads 3
ছবি: সংগৃহীত

পেরুর দক্ষিণাঞ্চলে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য নাসকা লাইনস পরিদর্শনে যাওয়ার পথে একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন যাত্রী ও দুজন পাইলট রয়েছেন।

Middle Post Content 1

শনিবার দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ জানায়, বিমানটি পর্যটকদের নিয়ে বিখ্যাত নাসকা লাইনসের ওপর দিয়ে উড়ছিল। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর তাতে আগুন ধরে যায়, ফলে কাউকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

Middle Post Content 2

দুর্ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মেজর হোর্হে আন্দ্রেদে সাংবাদিকদের বলেন, নিহতদের মধ্যে ১১ জন যাত্রী এবং দুজন ক্রু সদস্য রয়েছেন।

Middle Post Content 3

পেরুর পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে সাতজন ইতালির নাগরিক, দুজন স্পেনের নাগরিক এবং দুজন জার্মানির নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া নিহত দুজন হলেন পাইলট আমেরিকো সালাজার ও কো-পাইলট ইরেনকা গুয়ানিলো দেল কার্পিও।

Middle Post Content 1

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানটি ইকা অঞ্চলের পিসকো থেকে যাত্রা করেছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার পর আগুন ছড়িয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়।

Middle Post Content 1

প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজি দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

Middle Post Content 1

পেরু পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। মাচু পিচুর ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ, কুসকোর ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং নাসকা লাইনস দেখতে প্রতি বছর লাখো পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেন। দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পেরুতে ৪১ লাখের বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।

Middle Post Content 1

পেরুর দক্ষিণাঞ্চলের আন্দিজ পর্বতমালা-সংলগ্ন মরুভূমিতে অবস্থিত নাসকা লাইনসকে ইউনেস্কো "প্রত্নতত্ত্বের অন্যতম বৃহৎ রহস্য" হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিশাল আকৃতির এই জিওগ্লিফগুলোতে প্রাণী, উদ্ভিদ, কাল্পনিক সত্তা ও কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ জ্যামিতিক নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ধারণা করা হয়, এগুলোর সঙ্গে প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যা-সংক্রান্ত আচার-অনুষ্ঠানের সম্পর্ক ছিল। বিশাল আয়তনের কারণে নাসকা লাইনস মূলত আকাশ থেকেই সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায়।

Middle Post Content 1

বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় পড়া বিমানটি পেরুর পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান অ্যারোডিয়ানা পরিচালিত ছিল।

নিহত বিমান বিধ্বস্ত পেরু পর্যটক

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পেরুর দক্ষিণাঞ্চলে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য নাসকা লাইনস পরিদর্শনে যাওয়ার পথে একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন যাত্রী ও দুজন পাইলট রয়েছেন।

শনিবার দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ জানায়, বিমানটি পর্যটকদের নিয়ে বিখ্যাত নাসকা লাইনসের ওপর দিয়ে উড়ছিল। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর তাতে আগুন ধরে যায়, ফলে কাউকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

দুর্ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মেজর হোর্হে আন্দ্রেদে সাংবাদিকদের বলেন, নিহতদের মধ্যে ১১ জন যাত্রী এবং দুজন ক্রু সদস্য রয়েছেন।

পেরুর পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে সাতজন ইতালির নাগরিক, দুজন স্পেনের নাগরিক এবং দুজন জার্মানির নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া নিহত দুজন হলেন পাইলট আমেরিকো সালাজার ও কো-পাইলট ইরেনকা গুয়ানিলো দেল কার্পিও।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানটি ইকা অঞ্চলের পিসকো থেকে যাত্রা করেছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার পর আগুন ছড়িয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়।

প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজি দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

পেরু পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। মাচু পিচুর ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ, কুসকোর ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং নাসকা লাইনস দেখতে প্রতি বছর লাখো পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেন। দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পেরুতে ৪১ লাখের বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।

পেরুর দক্ষিণাঞ্চলের আন্দিজ পর্বতমালা-সংলগ্ন মরুভূমিতে অবস্থিত নাসকা লাইনসকে ইউনেস্কো "প্রত্নতত্ত্বের অন্যতম বৃহৎ রহস্য" হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিশাল আকৃতির এই জিওগ্লিফগুলোতে প্রাণী, উদ্ভিদ, কাল্পনিক সত্তা ও কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ জ্যামিতিক নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ধারণা করা হয়, এগুলোর সঙ্গে প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যা-সংক্রান্ত আচার-অনুষ্ঠানের সম্পর্ক ছিল। বিশাল আয়তনের কারণে নাসকা লাইনস মূলত আকাশ থেকেই সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায়।

বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় পড়া বিমানটি পেরুর পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান অ্যারোডিয়ানা পরিচালিত ছিল।


জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস