জনতার প্রেস

মূল পাতা

আন্তর্জাতিক

আজ রাতে ইরানে কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি: ট্রাম্প

আজ রাতে ইরানে কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি: ট্রাম্প
তুরস্কের আঙ্কারায় বুধবার ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের (ছবিতে নেই) সঙ্গে এক বৈঠকে কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনটি ৭ থেকে ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: রয়টার্স

ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ‘শেষ’ হয়ে গেছে মন্তব্য করার পর বুধবার দেশটিতে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ওয়াশিংটন পুরোদমে যুদ্ধে ফিরবে কিনা, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ইরানি কর্মকর্তাদের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, তারা নিজেদের করা চুক্তি মেনে চলছে না। গত মঙ্গলবার মার্কিন বাহিনীর হামলার পর বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত আবারও হামলা চালাবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

তুরস্কের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি একটি ছোট সতর্কতা দিয়ে রাখছি- আজ রাতে আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি।’

এর আগে আঙ্কারায় সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক মন্তব্যে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি হিসেবে কাজ করা সমঝোতা স্মারকটি ‘শেষ’ হয়ে গেছে। তার এ মন্তব্যের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বেড়ে যায়।

তবে ওয়াশিংটন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাবে কিনা কিংবা প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিটিকে স্থায়ী চুক্তিতে রূপ দিতে আর কোনো আলোচনা হবে কিনা, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি।

তেহরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে—নিজের এমন যুদ্ধ-লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, কোনো চুক্তি ছাড়াই হয়তো এ লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের চুক্তির অধীনে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, কিন্তু আমি জানি না শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে কিনা। আমরা হয়তো চুক্তি ছাড়াই এটি বাস্তবায়ন করব। কারণ আপনারা জানেন, এটা আরও সহজ; কারণ এ মানুষগুলো কেবল মিথ্যা বলে আর প্রতারণা করে।’

হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে হামলার জেরে মার্কিন বাহিনী ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর ইরান জানায়, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে। সংঘাতের এ আকস্মিক বৃদ্ধির ফলে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।

নতুন করে শুরু হওয়া এ সংঘাত হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও সুরক্ষাজনিত উদ্বেগও বাড়িয়েছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সরবরাহ পথটি অতিক্রম করার ঝুঁকি না নিয়ে অন্তত চারটি তেল ও গ্যাস বহনকারী ট্যাংকার মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র হামলা ইরান

আপনার মতামত লিখুন

আজ রাতে ইরানে কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি: ট্রাম্প
0:00 0:00
1.0x
জনতার প্রেস

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


আজ রাতে ইরানে কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি: ট্রাম্প

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ‘শেষ’ হয়ে গেছে মন্তব্য করার পর বুধবার দেশটিতে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ওয়াশিংটন পুরোদমে যুদ্ধে ফিরবে কিনা, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ইরানি কর্মকর্তাদের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, তারা নিজেদের করা চুক্তি মেনে চলছে না। গত মঙ্গলবার মার্কিন বাহিনীর হামলার পর বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত আবারও হামলা চালাবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

তুরস্কের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি একটি ছোট সতর্কতা দিয়ে রাখছি- আজ রাতে আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি।’

এর আগে আঙ্কারায় সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক মন্তব্যে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি হিসেবে কাজ করা সমঝোতা স্মারকটি ‘শেষ’ হয়ে গেছে। তার এ মন্তব্যের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বেড়ে যায়।

তবে ওয়াশিংটন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাবে কিনা কিংবা প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিটিকে স্থায়ী চুক্তিতে রূপ দিতে আর কোনো আলোচনা হবে কিনা, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি।

তেহরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে—নিজের এমন যুদ্ধ-লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, কোনো চুক্তি ছাড়াই হয়তো এ লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের চুক্তির অধীনে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, কিন্তু আমি জানি না শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে কিনা। আমরা হয়তো চুক্তি ছাড়াই এটি বাস্তবায়ন করব। কারণ আপনারা জানেন, এটা আরও সহজ; কারণ এ মানুষগুলো কেবল মিথ্যা বলে আর প্রতারণা করে।’

হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে হামলার জেরে মার্কিন বাহিনী ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর ইরান জানায়, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে। সংঘাতের এ আকস্মিক বৃদ্ধির ফলে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।

নতুন করে শুরু হওয়া এ সংঘাত হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও সুরক্ষাজনিত উদ্বেগও বাড়িয়েছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সরবরাহ পথটি অতিক্রম করার ঝুঁকি না নিয়ে অন্তত চারটি তেল ও গ্যাস বহনকারী ট্যাংকার মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে।


জনতার প্রেস

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ আরেফিন ইসলাম 
নির্বাহী সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ
বার্তা সম্পাদক
মুক্তা আক্তার

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস