বরিশালের হিজলা উপজেলার মাউলতলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠনে অনিয়ম ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গোপনে ‘পকেট কমিটি’ গঠনের অভিযোগ এনে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মাদ্রাসার তালিকাভুক্ত দাতা সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক। অভিযোগ নিষ্পত্তির আগেই কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গভর্নিং বডি গঠনের লক্ষ্যে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছালাহ উদ্দিন কাওসার ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেন। পরে গত ২৮ এপ্রিল খসড়া এবং ১৩ মে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুমোদন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার মো. নজরুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বিধিমালা অনুসরণ না করে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী তফসিল গোপন রেখে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে ওই কমিটি ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হলে ২ জুলাই তা অনুমোদন দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, কোনো ক্যাটাগরির নির্বাচনী তফসিল প্রকাশ করা হয়নি। তালিকাভুক্ত তিনজন দাতা সদস্যের মধ্যে দুজনকে না জানিয়ে একজনের নাম পাঠানো হয়েছে। অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে দাখিল ও ফাজিল স্তরের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হলেও আলিম স্তরের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। এ ছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনেও সাধারণ শিক্ষকদের না জানিয়ে গোপনে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগকারী দাতা সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, বিধিমালা লঙ্ঘন করে গভর্নিং বডি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত ও কমিটি বাতিলের দাবিতে তিনি গত ২৮ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ হাজার টাকা ফি জমা দিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, অভিযোগের তদন্ত ছাড়াই ২ জুলাই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা অভিভাবক ও দাতা সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছালাহ উদ্দিন কাওসার বলেন, ‘গভর্নিং বডি গঠনে কিছুটা অনিয়ম হয়েছে। তবে স্থানীয় একটি মহলের চাপে অনুমোদনের জন্য কমিটি পাঠানো হয়েছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা অনুমোদন দিয়েছে।’
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘অভিভাবক সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন যথানিয়মে হয়েছে। দাতা ও অন্যান্য ক্যাটাগরির সদস্য নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা আমার জানা নেই।’

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
বরিশালের হিজলা উপজেলার মাউলতলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠনে অনিয়ম ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গোপনে ‘পকেট কমিটি’ গঠনের অভিযোগ এনে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মাদ্রাসার তালিকাভুক্ত দাতা সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক। অভিযোগ নিষ্পত্তির আগেই কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গভর্নিং বডি গঠনের লক্ষ্যে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছালাহ উদ্দিন কাওসার ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেন। পরে গত ২৮ এপ্রিল খসড়া এবং ১৩ মে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুমোদন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার মো. নজরুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বিধিমালা অনুসরণ না করে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী তফসিল গোপন রেখে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে ওই কমিটি ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হলে ২ জুলাই তা অনুমোদন দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, কোনো ক্যাটাগরির নির্বাচনী তফসিল প্রকাশ করা হয়নি। তালিকাভুক্ত তিনজন দাতা সদস্যের মধ্যে দুজনকে না জানিয়ে একজনের নাম পাঠানো হয়েছে। অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে দাখিল ও ফাজিল স্তরের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হলেও আলিম স্তরের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। এ ছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনেও সাধারণ শিক্ষকদের না জানিয়ে গোপনে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগকারী দাতা সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, বিধিমালা লঙ্ঘন করে গভর্নিং বডি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত ও কমিটি বাতিলের দাবিতে তিনি গত ২৮ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ হাজার টাকা ফি জমা দিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, অভিযোগের তদন্ত ছাড়াই ২ জুলাই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা অভিভাবক ও দাতা সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছালাহ উদ্দিন কাওসার বলেন, ‘গভর্নিং বডি গঠনে কিছুটা অনিয়ম হয়েছে। তবে স্থানীয় একটি মহলের চাপে অনুমোদনের জন্য কমিটি পাঠানো হয়েছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা অনুমোদন দিয়েছে।’
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘অভিভাবক সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন যথানিয়মে হয়েছে। দাতা ও অন্যান্য ক্যাটাগরির সদস্য নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা আমার জানা নেই।’

আপনার মতামত লিখুন