প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
মেজর আখতার এখন ভুক্তভোগী-নির্যাতিত মানুষের নেতা: শফিকুর রহমান
||
জনতার প্রেস ডেস্ক: বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান এখন শুধু জামায়াতে ইসলামীর নেতা নন, তিনি ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত মানুষেরও নেতা হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর মগবাজারের মধুবাগে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার ও মামলার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, বিমানবন্দরে অনিয়ম ও হয়রানির প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা করা হয়েছে। তিনি প্রবাসীদের পক্ষে কথা বলেছেন। বিমানবন্দরে যেসব প্রবাসীর ব্যাগ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করা হয়, তাদের হয়েও তিনি কথা বলেছেন।আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের পর হেলমেট ও জ্যাকেট পরানোর প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তাকে অপমান করার জন্য মাথায় হেলমেট পরানো হয়েছে, তাকে অপমান করার জন্য তার বুকে জ্যাকেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আমরা নিন্দা জানাই, ধিক্কার জানাই।’মামলায় মেজর আখতারুজ্জামান কাউকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করেছেন—এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা ১০০ ভাগ নয়, এক হাজার ভাগ মিথ্যা। তিনি কারও গায়ে হাত তোলেননি।’বিমানবন্দর সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আদালতে মেজর আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগের কোনো ভিডিও উপস্থাপন করা হয়নি।তিনি বলেন, ‘মেজর আখতার এখন আর শুধু জামায়াতে ইসলামীর লোক ও নেতা নন। এখন তিনি সারা বাংলাদেশের ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত সমস্ত মানুষের নেতা হয়ে উঠেছেন।’ডা. শফিকুর রহমান জানান, মামলা হওয়ার পর মেজর আখতারুজ্জামানের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। আগাম জামিন নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আখতারুজ্জামান তাকে বলেছিলেন, ‘আমি অন্যায় করিনি। কাজেই আমি আত্মসমর্পণ করব না। আমি চাই আমাকে গ্রেপ্তার করা হোক।’সরকারকে সতর্ক করে জামায়াত আমির বলেন, জনগণকে বোকা বা অন্ধ ভাবার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘আপনাদের যদি একজনের দুইটা করে চোখ থাকে, জনগণেরও সূর্যের মতো দুইটা করে চোখ আছে। পরিষ্কার করে সবকিছু দেখে আড়াল করতে পারবেন না। এখন আড়াল করার যুগ নয়।’জনতার প্রেস
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত জনতার প্রেস